Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

ছাতা মাথায় গলির পথে যাচ্ছিল ৫ বছরের শিশু আচমকাই ভেঙে পড়ল বাড়ি CCTV তে ধরা পড়ল ভয়াবহ মুহূর্ত

ছাতা মাথায় গলির পথে যাচ্ছিল পাঁচ বছরের এক শিশু আচমকাই ভেঙে পড়ে পাশের একটি বাড়ি ভয়াবহ সেই মুহূর্ত ধরা পড়েছে সিসিটিভি ক্যামেরায় শিশুটির পরিণতি কী হয়েছে এবং কী কারণে বাড়িটি ভেঙে পড়ল তা জানতে ঘটনার বিস্তারিত তথ্যের অপেক্ষা

বৃষ্টি ও প্রবল হাওয়ার মধ্যে ছাতা মাথায় সরু গলি দিয়ে যাচ্ছিল পাঁচ বছরের এক শিশু। সেই সময় পাশের বাড়ির দেওয়াল আচমকা ভেঙে পড়ে। ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়ে শিশুটির মৃত্যু হয়। উত্তরপ্রদেশের আজমগড়ের এই দুর্ঘটনার মুহূর্ত ধরা পড়েছে কাছাকাছি থাকা সিসিটিভি ক্যামেরায়। আজ তকের প্রতিবেদনে বাড়ির জরাজীর্ণ দেওয়াল ধসে পড়ার কথা বলা হয়েছে। ঘটনাটি আজমগড়ের সিটি কোতোয়ালি থানা এলাকার অনন্তপুর মহল্লায়। প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, দুর্ঘটনার সময় এলাকায় বৃষ্টি এবং জোর হাওয়া চলছিল। সরু গলির দু’পাশে বাড়ি রয়েছে। সেই পথ দিয়ে যাওয়ার সময়ই শিশুটি দুর্ঘটনার মুখে পড়ে।

মণিকন্ট্রোলের প্রতিবেদনে সিসিটিভি দৃশ্যের বিবরণ অনুযায়ী, দুটি শিশুকে একটি ছাতার নিচে গলি দিয়ে হাঁটতে দেখা যায়। তারা পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় একটি বাড়ির অংশ হঠাৎ ধসে পড়ে। ঘটনাটি অত্যন্ত দ্রুত ঘটে। ফুটেজে ধসের মুহূর্ত ধরা পড়লেও সেটি থেকে ভবনের কাঠামোগত সমস্যার পূর্ণ কারণ নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। দুর্ঘটনার পরে স্থানীয় মানুষ ও পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে ধ্বংসস্তূপ সরানোর চেষ্টা করেন। আজ তকের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, শিশুটিকে বাইরে বের করার আগেই তার মৃত্যু হয়েছিল। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা এবং পঞ্চনামা সম্পন্ন করে দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয় বলে প্রতিবেদনে পুলিশকে উদ্ধৃত করা হয়েছে। ফুটেজে থাকা অন্য শিশুটির অবস্থা সম্পর্কে এখানে ব্যবহৃত প্রতিবেদনে স্পষ্ট তথ্য নেই। তাই তাকে আহত বা অক্ষত বলে নিশ্চিতভাবে উল্লেখ করা যাচ্ছে না। আজ তক দেওয়ালটিকে জরাজীর্ণ বলে বর্ণনা করেছে। অন্য প্রতিবেদনেও দুর্ঘটনার সময় বৃষ্টি ও প্রবল হাওয়ার কথা রয়েছে। তবে আবহাওয়া, ভবনের পুরনো অবস্থা এবং ধসের প্রকৌশলগত কারণ আলাদা বিষয়। বাড়িটির কাঠামো, রক্ষণাবেক্ষণ এবং কোনও পূর্ববর্তী ক্ষতি সম্পর্কে বিস্তারিত মূল্যায়ন ছাড়া নির্দিষ্ট কারণ নিশ্চিত করা উচিত নয়। প্রকাশিত খবরের কোথাও বাড়ি ধসের কথা, কোথাও বিশেষভাবে দেওয়াল ভেঙে পড়ার কথা বলা হয়েছে। তাই সম্পূর্ণ বাড়ি ধসে পড়েছিল বলে নিশ্চিত দাবি করার পরিবর্তে বাড়ির দেওয়াল বা অংশ ধসে পড়ার বিবরণ ব্যবহার করা বেশি নির্ভুল। একইভাবে সিসিটিভিতে ধরা পড়া দৃশ্য উদ্ধারসংক্রান্ত তথ্য এবং ধসের কারণ সম্পর্কে অনুমানকে আলাদা রাখা প্রয়োজন। এই দুর্ঘটনায় নিশ্চিতভাবে সামনে এসেছে একটি শিশুর প্রাণহানির খবর। ভবনের নিরাপত্তা এবং ধসের নির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া গেলে ঘটনার পূর্ণ চিত্র স্পষ্ট হবে।

বৃষ্টির মধ্যে একটি ছাতার নিচে সরু গলি দিয়ে হাঁটছিল দুই শিশু। পাশের বাড়ির কাছে পৌঁছতেই আচমকা ভেঙে পড়ে ভবনের একটি অংশ। মুহূর্তের মধ্যে ঘটে যাওয়া এই দুর্ঘটনায় পাঁচ বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়। উত্তরপ্রদেশের আজমগড়ের অনন্তপুর এলাকার ঘটনাটি কাছাকাছি থাকা সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়েছে। প্রকাশিত প্রতিবেদনে দুর্ঘটনার সময় বৃষ্টি ও প্রবল হাওয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে। মণিকন্ট্রোলের প্রতিবেদনে সিসিটিভি দৃশ্যের যে বিবরণ দেওয়া হয়েছে, তাতে দুটি শিশুকে একসঙ্গে গলি দিয়ে যেতে দেখা যায়। তাদের মাথার উপরে ছিল একটি ছাতা। তারা পথ দিয়ে এগোনোর সময় পাশের বাড়ির অংশ হঠাৎ ধসে পড়ে। ফুটেজে দুর্ঘটনার আকস্মিকতা ধরা পড়েছে। তবে সেই দৃশ্য থেকে ভবনের কাঠামোগত সমস্যার পূর্ণ কারণ জানা যায় না। দুর্ঘটনার পরে স্থানীয় মানুষ এবং পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন। তাঁরা ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে শিশুটিকে বের করার চেষ্টা করেন। আজ তকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শিশুটিকে বাইরে বের করার আগেই তার মৃত্যু হয়েছিল। উদ্ধারচেষ্টা সত্ত্বেও তাকে বাঁচানো যায়নি। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। প্রকাশিত প্রতিবেদনে পুলিশকে উদ্ধৃত করে জানানো হয়েছে, প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা ও পঞ্চনামা সম্পন্ন করার পরে শিশুটির দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। ঘটনাটি সিসিটিভিতে ধরা পড়ায় ধসের মুহূর্ত সম্পর্কে একটি দৃশ্যগত বিবরণ পাওয়া যাচ্ছে। উদ্ধার এবং পরবর্তী পদক্ষেপের তথ্য পাওয়া যাচ্ছে সংবাদ প্রতিবেদনের মাধ্যমে। তবে ফুটেজে দেখা অন্য শিশুটির অবস্থা সম্পর্কে এখানে ব্যবহৃত প্রতিবেদনে স্পষ্ট তথ্য নেই। সে আহত হয়েছে, নাকি অক্ষত রয়েছে কোনওটিই নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। একটি শিশুর মৃত্যুর খবরের সঙ্গে অন্য শিশুটির পরিণতি নিয়ে অনুমান যোগ করলে ঘটনার বিবরণ বিভ্রান্তিকর হতে পারে।

news image
আরও খবর

আজ তক ধসে পড়া দেওয়ালটিকে জরাজীর্ণ বলে বর্ণনা করেছে। দুর্ঘটনার সময় এলাকায় বৃষ্টি ও প্রবল হাওয়া চলছিল বলেও খবর রয়েছে। এই তথ্যগুলি ঘটনার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে। কিন্তু দেওয়াল কেন ভেঙে পড়ল, তার সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা হিসেবে এগুলিকে ধরে নেওয়া যায় না। ভবনের পুরনো অবস্থা রক্ষণাবেক্ষণ এবং ধসের প্রকৌশলগত কারণ একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। তবে কোনও নির্দিষ্ট ভবনের ক্ষেত্রে সেই সম্পর্ক নিশ্চিত করতে বিস্তারিত পরীক্ষা প্রয়োজন। দেওয়ালে আগে থেকে ক্ষতি ছিল কি না কাঠামোর অবস্থা কেমন ছিল এবং রক্ষণাবেক্ষণের ইতিহাস কী এসব তথ্য ছাড়া নির্দিষ্ট সিদ্ধান্তে পৌঁছনো কঠিন। একইভাবে দুর্ঘটনার সময় জোর হাওয়া ছিল বলে শুধু হাওয়াকেই ধসের একমাত্র কারণ বলা যায় না। আবহাওয়ার পরিস্থিতি এবং ভবনের প্রকৃত দুর্বলতা আলাদাভাবে মূল্যায়ন করতে হয়। এখানে কোনও বিস্তারিত কাঠামোগত পরীক্ষার ফল দেওয়া নেই। ফলে কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত বক্তব্যের পরিবর্তে প্রতিবেদনে পাওয়া তথ্যের সীমা বজায় রাখা প্রয়োজন। এই ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজের গুরুত্ব রয়েছে। সংবাদ প্রতিবেদনের বিবরণ অনুযায়ী, শিশুরা কোথা দিয়ে যাচ্ছিল এবং কখন বাড়ির অংশটি ভেঙে পড়ল, তা দৃশ্যে ধরা আছে। দুর্ঘটনাটি যে আচমকা ঘটেছে সেই ঘটনাক্রম বুঝতে ফুটেজ সাহায্য করে। তবে সিসিটিভি কোনও ভবনের ভেতরের কাঠামো পরীক্ষা করতে পারে না। দেওয়ালের শক্তি, নির্মাণের মান কিংবা অদৃশ্য ক্ষতির অবস্থা শুধু বাইরের দৃশ্য দেখে নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। তাই ফুটেজকে দুর্ঘটনার মুহূর্তের প্রমাণ হিসেবে দেখা যায়, কিন্তু ধসের পূর্ণ প্রযুক্তিগত ব্যাখ্যা হিসেবে ব্যবহার করা যায় না। এই পার্থক্যটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ কারণ একটি দৃশ্য অনেক প্রশ্নের জন্ম দিলেও সব প্রশ্নের উত্তর দেয় না। ঘটনাক্রম জানতে সিসিটিভি সহায়ক নির্দিষ্ট কারণ জানতে প্রয়োজন সংশ্লিষ্ট মূল্যায়ন ও তথ্য।

প্রকাশিত খবরের ভাষায় কিছু পার্থক্য রয়েছে। কোথাও বাড়ি ধসের কথা বলা হয়েছে, আবার কোথাও বিশেষভাবে দেওয়াল ভেঙে পড়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এই অবস্থায় সম্পূর্ণ বাড়িটি ধসে পড়েছিল বলে নিশ্চিত দাবি করার যথেষ্ট ভিত্তি নেই। বাড়ির দেওয়াল বা একটি অংশ ধসে পড়েছে এই বিবরণ পাওয়া তথ্যের সঙ্গে বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ। ভবনের কতটা অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং বাকি অংশের অবস্থা কী সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া গেলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে। দুর্ঘটনার বর্ণনায় এই নির্ভুলতা বজায় রাখা জরুরি। সম্পূর্ণ ভবন ধসে পড়া এবং একটি দেওয়াল ভেঙে পড়ার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। উভয় ক্ষেত্রেই প্রাণহানির আশঙ্কা থাকতে পারে, কিন্তু ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি এবং ক্ষতির পরিমাণ এক নয়। এই ঘটনায় পাঁচ বছরের এক শিশুর মৃত্যুর খবর নিশ্চিতভাবে প্রকাশিত হয়েছে। দুটি শিশুকে ছাতার নিচে গলি দিয়ে যেতে দেখা যাওয়ার বিবরণ, ভবনের অংশ ধসে পড়া, স্থানীয়দের উদ্ধারচেষ্টা এবং পুলিশের পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতার কথাও প্রতিবেদনে রয়েছে। অন্যদিকে দ্বিতীয় শিশুটির অবস্থা ভবনের সম্পূর্ণ ক্ষতির পরিমাণ এবং ধসের নির্দিষ্ট প্রকৌশলগত কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য নেই। এসব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া গেলে দুর্ঘটনার পূর্ণ চিত্র বোঝা সম্ভব হবে। আজমগড়ের এই ঘটনা পথের পাশে থাকা ভবনের নিরাপত্তার বিষয়টিকে সামনে এনেছে। তবে নির্দিষ্ট কারও দায় অবহেলা বা নির্মাণগত ত্রুটি সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নিতে আরও তথ্য প্রয়োজন। আপাতত প্রকাশিত বিবরণে একটি শিশুর প্রাণহানি এবং আচমকা দেওয়াল বা ভবনের অংশ ধসে পড়ার ঘটনাই স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে। দেওয়ালের শক্তি, নির্মাণের মান কিংবা অদৃশ্য ক্ষতির অবস্থা শুধু বাইরের দৃশ্য দেখে নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। তাই ফুটেজকে দুর্ঘটনার মুহূর্তের প্রমাণ হিসেবে দেখা যায়, কিন্তু ধসের পূর্ণ প্রযুক্তিগত ব্যাখ্যা হিসেবে ব্যবহার করা যায় না। এই পার্থক্যটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ কারণ একটি দৃশ্য অনেক প্রশ্নের জন্ম দিলেও সব প্রশ্নের উত্তর দেয় না। ঘটনাক্রম জানতে সিসিটিভি সহায়ক নির্দিষ্ট কারণ জানতে প্রয়োজন সংশ্লিষ্ট মূল্যায়ন ও তথ্য।

Preview image