বেঙ্গল সুপার লিগে একেবারে একপেশে লড়াইয়ের সাক্ষী থাকল ফুটবলপ্রেমীরা। এফসি মেদিনীপুরের বিরুদ্ধে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলল নর্থবেঙ্গল ইউনাইটেড এফসি। একের পর এক গোল করে প্রতিপক্ষকে কার্যত অসহায় করে তোলে তারা। মাঠে গোলের বন্যা বইয়ে দিয়ে দুর্দান্ত জয় তুলে নেয় নর্থবেঙ্গল, যা লিগের লড়াইয়ে নতুন উত্তেজনা তৈরি করেছে
বেঙ্গল সুপার লিগে শনিবার কল্যাণী স্টেডিয়ামে ফুটবলপ্রেমীরা দেখলেন একেবারে একপেশে লড়াই। মাঠে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আধিপত্য বিস্তার করল নর্থবেঙ্গল ইউনাইটেড এফসি। প্রতিপক্ষ এফসি মেদিনীপুর যেন প্রথমার্ধের মাঝামাঝি সময়ের পর থেকেই দিশেহারা হয়ে পড়ে। গোলের পর গোল করে শেষ পর্যন্ত ৮ ১ ব্যবধানে দুর্দান্ত জয় তুলে নেয় পাহাড়ের দল নর্থবেঙ্গল ইউনাইটেড এফসি।
এই ম্যাচ শুধু একটি বড় জয় নয়, বরং বেঙ্গল সুপার লিগের পয়েন্ট টেবিলের সমীকরণকেও নতুন করে জটিল করে তুলেছে। একদিকে নর্থবেঙ্গল উঠে এসেছে চতুর্থ স্থানে, অন্যদিকে মেদিনীপুর রয়ে গেছে পয়েন্ট টেবিলের নিচের দিকে। তবে এত বড় জয়ের পরও নর্থবেঙ্গলের সামনে এখনও রয়েছে কঠিন চ্যালেঞ্জ। তাদের নকআউট নিশ্চিত হয়নি। শেষ চারে জায়গা পেতে হলে এখনও একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ জিততেই হবে।
ম্যাচের শুরুতে অবশ্য এমন বিপর্যয়ের ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। প্রথম ৩৭ মিনিট পর্যন্ত দুই দলই চেষ্টা করছিল নিজেদের খেলা গুছিয়ে নিতে। মাঝমাঠে বল দখলের লড়াই চলছিল। মেদিনীপুরের ফুটবলাররা রক্ষণে সংগঠিত থাকার চেষ্টা করছিল এবং মাঝেমধ্যে পাল্টা আক্রমণের সুযোগ খুঁজছিল।
নর্থবেঙ্গল ইউনাইটেড এফসি ধীরে ধীরে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিতে শুরু করে। তাদের পাসিং, গতি এবং আক্রমণের ধারাবাহিকতা মেদিনীপুরের রক্ষণভাগকে চাপে ফেলতে থাকে। তবে প্রথম গোল আসতে সময় নেয় প্রায় ৩৮ মিনিট।
৩৮ মিনিটে অ্যান্ডির পা থেকে আসে ম্যাচের প্রথম গোল। বক্সের ভেতরে দুর্দান্ত ফিনিশে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন তিনি। এই গোলের পর থেকেই ম্যাচের মোড় ঘুরে যায়। আত্মবিশ্বাসে ভর করে নর্থবেঙ্গলের খেলায় গতি আরও বেড়ে যায়।
এর ঠিক ছয় মিনিট পর অর্থাৎ ৪৪ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন রৌনক। মাঝমাঠ থেকে দ্রুত আক্রমণ সাজিয়ে গোল করে নর্থবেঙ্গল। মেদিনীপুর তখন কার্যত চাপে পড়ে যায়।
প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে আবার গোলের দেখা পায় নর্থবেঙ্গল। ৪৫ মিনিটের সঙ্গে যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে সোনম গোল করে স্কোরলাইন ৩ ০ করে দেন। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই ম্যাচ কার্যত একতরফা হয়ে যায়।
দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হওয়ার পরও নর্থবেঙ্গলের আক্রমণের ধার কমেনি। বরং তারা আরও আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে। ৬৩ মিনিটে আমোসের গোলে স্কোরলাইন দাঁড়ায় ৪ ০। এই গোলের পর মেদিনীপুরের খেলোয়াড়দের মধ্যে হতাশা স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
৭৭ মিনিটে আবার গোল করেন অ্যান্ডি। নিজের দ্বিতীয় গোল করে দলকে ৫ ০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন তিনি। এরপর ৮১ মিনিটে রাজিবুল গোল করে স্কোরলাইন ৬ ০ করেন।
ম্যাচের শেষ দিকে নর্থবেঙ্গলের আক্রমণ যেন আরও ভয়ংকর হয়ে ওঠে। ৮৮ মিনিটে ডেভিড গোল করেন। এরপর যোগ করা সময়ে ৯০ মিনিটের সঙ্গে দুই মিনিট যোগ হয়ে ৯২ মিনিটে রিকি গোল করে স্কোরলাইন ৮ ০ করে দেন।
শেষ মুহূর্তে মেদিনীপুরের হয়ে একটি সান্ত্বনাসূচক গোল করেন সুচন্দ্র। ৯৪ মিনিটে তার গোলের মাধ্যমে স্কোরলাইন দাঁড়ায় ৮ ১। তবে সেই গোল ম্যাচের ফলাফলে কোনও প্রভাব ফেলতে পারেনি।
এই ম্যাচ জয়ের ফলে নর্থবেঙ্গল ইউনাইটেড এফসি ১৩ ম্যাচে ২০ পয়েন্ট নিয়ে উঠে এসেছে পয়েন্ট টেবিলের চতুর্থ স্থানে। এটি তাদের জন্য একটি বড় সাফল্য হলেও এখনও নিশ্চিত নয় নকআউট পর্বে জায়গা পাওয়া।
নর্থবেঙ্গলের সামনে এখনও একটি ম্যাচ বাকি রয়েছে। শেষ চারে উঠতে হলে তাদের ২৬ জানুয়ারি নর্থ ২৪ পরগনার বিরুদ্ধে ম্যাচ জিততেই হবে। ফলে সেই ম্যাচটি কার্যত নর্থবেঙ্গলের জন্য নকআউটের টিকিট নির্ধারণকারী লড়াই হয়ে দাঁড়িয়েছে।
অন্যদিকে মেদিনীপুর এই বড় হারের পর পয়েন্ট টেবিলের নিচের দিকেই রয়ে গেছে। তাদের সামনে এখন কঠিন বাস্তবতা। দল গঠন, কৌশল এবং রক্ষণভাগের দুর্বলতা নিয়ে নতুন করে ভাবতে হবে তাদের।
বেঙ্গল সুপার লিগের এবারের আসর শুরু থেকেই উত্তেজনায় ভরপুর। প্রতিটি ম্যাচেই দেখা যাচ্ছে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা, নাটকীয় মুহূর্ত এবং অপ্রত্যাশিত ফলাফল। নর্থবেঙ্গল ইউনাইটেড এফসির এই বড় জয় সেই উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
ইতিমধ্যেই নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে জেএইচআর রয়্যাল সিটি এফসি, হাওড়া হুগলি ওয়ারিয়র্স এবং সুন্দরবন বেঙ্গল অটো এফসি। ফলে শেষ একটি জায়গার জন্য লড়াই আরও তীব্র হয়ে উঠেছে।
নর্থবেঙ্গল ইউনাইটেড এফসির সামনে এখন শেষ সুযোগ। একদিকে বড় জয়ের আত্মবিশ্বাস, অন্যদিকে নকআউট নিশ্চিত করার চাপ। সব মিলিয়ে তাদের পরবর্তী ম্যাচটি বেঙ্গল সুপার লিগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ হয়ে উঠতে চলেছে।
এই ম্যাচের পর বাংলার ফুটবলপ্রেমীদের নজর এখন নর্থবেঙ্গলের শেষ ম্যাচের দিকে। তারা কি পারবে নর্থ ২৪ পরগনাকে হারিয়ে শেষ চারে জায়গা করে নিতে। নাকি শেষ মুহূর্তে স্বপ্নভঙ্গ হবে পাহাড়ের দলের।
বেঙ্গল সুপার লিগে নর্থবেঙ্গল ইউনাইটেড এফসির এই দুর্দান্ত জয় শুধু একটি ম্যাচ জয়ের গল্প নয়। এটি প্রমাণ করে দিয়েছে যে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই না করলে কোনও সমীকরণই চূড়ান্ত হয় না।
বাংলার ফুটবলে নতুন করে উত্তেজনার আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছে এই ম্যাচ। এখন দেখার শেষ লড়াইয়ে কে হাসবে শেষ
বেঙ্গল সুপার লিগে নর্থবেঙ্গলের গোলবিস্ফোরণ, মেদিনীপুরের সামনে শক্তির প্রদর্শন এবং নকআউটের দৌড়ে নাটকীয় সমীকরণ
বেঙ্গল সুপার লিগের মঞ্চে শনিবার কল্যাণী স্টেডিয়াম সাক্ষী থাকল এক অভাবনীয় ফুটবল নাটকের। যে ম্যাচ শুরু হয়েছিল দুই দলের মধ্যে সমান লড়াইয়ের সম্ভাবনা নিয়ে, তা শেষ হল নর্থবেঙ্গল ইউনাইটেড এফসির একতরফা আধিপত্যে। এফসি মেদিনীপুরের বিরুদ্ধে গোলের পর গোল করে ৮ ১ ব্যবধানে জয় তুলে নিল পাহাড়ের দল।
এই ম্যাচ শুধু একটি বড় জয় নয়, বরং এটি বেঙ্গল সুপার লিগের পুরো চিত্রকেই নতুন করে সাজিয়ে দিল। নর্থবেঙ্গল উঠে এল পয়েন্ট টেবিলের চতুর্থ স্থানে। কিন্তু এত বড় জয় সত্ত্বেও তাদের সামনে এখনও নিশ্চিত নয় নকআউটের টিকিট। অন্যদিকে মেদিনীপুর এই ম্যাচের পর পয়েন্ট টেবিলের তলানিতেই রয়ে গেল।
ম্যাচের আগে দুই দলের অবস্থান ছিল ভিন্ন বাস্তবতায়। নর্থবেঙ্গল ইউনাইটেড এফসি ছিল নকআউটের দৌড়ে। তাদের কাছে প্রতিটি ম্যাচই ছিল ফাইনালের মতো গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে মেদিনীপুর ইতিমধ্যেই কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে পড়ে গিয়েছিল। তবে ফুটবলে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত কিছুই নিশ্চিত নয়। সেই বিশ্বাস নিয়েই মাঠে নেমেছিল দুই দল।
কল্যাণী স্টেডিয়ামে উপস্থিত দর্শকদের চোখে ছিল উত্তেজনা। বেঙ্গল সুপার লিগের এবারের আসর শুরু থেকেই নাটকীয়তায় ভরপুর। তাই এই ম্যাচেও যে বড় কিছু ঘটতে পারে, তা কেউই পুরোপুরি আন্দাজ করতে পারেনি।
ম্যাচের প্রথম মিনিট থেকেই নর্থবেঙ্গল ইউনাইটেড এফসি আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে শুরু করে। দ্রুত পাসিং এবং উইং দিয়ে আক্রমণ ছিল তাদের প্রধান অস্ত্র। মেদিনীপুর শুরুতে রক্ষণভাগে সংগঠিত থাকার চেষ্টা করে এবং মাঝেমধ্যে পাল্টা আক্রমণের সুযোগ খোঁজে।
প্রথম ১০ মিনিটে দুই দলই কয়েকটি আক্রমণ তৈরি করলেও বড় কোনও সুযোগ তৈরি হয়নি। নর্থবেঙ্গলের মিডফিল্ডাররা বল দখলে আধিপত্য বিস্তার করতে শুরু করে। মেদিনীপুরের খেলোয়াড়দের মধ্যে তখন ধীরে ধীরে চাপ বাড়তে থাকে।
প্রথম ২০ মিনিটে নর্থবেঙ্গল কয়েকটি কর্নার এবং ফ্রি কিক পায়। কিন্তু মেদিনীপুরের গোলরক্ষক এবং ডিফেন্স তখনও দৃঢ়তা দেখায়।
৩৭ মিনিট পর্যন্ত ম্যাচের স্কোরলাইন ছিল শূন্য শূন্য। তখনও কেউ ভাবতে পারেনি যে সামনে এমন এক ভয়াবহ গোলবন্যা অপেক্ষা করছে।
৩৮ মিনিটে অ্যান্ডির পা থেকে আসে ম্যাচের প্রথম গোল। বক্সের ভেতরে নিখুঁত ফিনিশে তিনি বল জালে জড়ান। এই গোল শুধু স্কোরলাইন বদলায়নি, বদলে দিয়েছে ম্যাচের মানসিক গতিপথ।
গোলের পর নর্থবেঙ্গলের খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাস কয়েকগুণ বেড়ে যায়। বিপরীতে মেদিনীপুরের খেলোয়াড়দের মধ্যে দেখা দেয় হতাশা।
৪৪ মিনিটে রৌনকের গোল ম্যাচকে আরও একতরফা করে তোলে। দ্রুত আক্রমণ সাজিয়ে তিনি গোল করেন। মেদিনীপুরের রক্ষণ তখন কার্যত ভেঙে পড়ে।
প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে সোনম গোল করে স্কোরলাইন ৩ ০ করে দেন। বিরতিতে যাওয়ার আগেই ম্যাচ কার্যত নর্থবেঙ্গলের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।
দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হওয়ার পরও নর্থবেঙ্গল ইউনাইটেড এফসি আক্রমণের ধার কমায়নি। বরং তারা আরও আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে।
৬৩ মিনিটে আমোসের গোল স্কোরলাইনকে নিয়ে যায় ৪ ০ তে। এই গোলের পর মেদিনীপুরের খেলোয়াড়দের মধ্যে ভেঙে পড়ার লক্ষণ স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
৭৭ মিনিটে অ্যান্ডির দ্বিতীয় গোল নর্থবেঙ্গলের আধিপত্যকে আরও জোরালো করে। ৮১ মিনিটে রাজিবুল গোল করে স্কোরলাইন ৬ ০ করেন।
শেষদিকে ডেভিড এবং রিকির গোল ম্যাচকে নিয়ে যায় একেবারে ঐতিহাসিক উচ্চতায়। ৯৪ মিনিটে সুচন্দ্র মেদিনীপুরের হয়ে একটি সান্ত্বনাসূচক গোল করেন। তবে ততক্ষণে ম্যাচের ফলাফল অনেক আগেই নির্ধারিত হয়ে গেছে।
নর্থবেঙ্গল ইউনাইটেড এফসির আক্রমণভাগ ছিল অসাধারণ। অ্যান্ডি ছিলেন ম্যাচের প্রধান নায়ক। তাঁর দুটি গোল ম্যাচের গতিপথ নির্ধারণ করেছে। রৌনক, সোনম, আমোস, রাজিবুল, ডেভিড এবং রিকির গোল প্রমাণ করেছে যে নর্থবেঙ্গলের আক্রমণ শুধু একজন খেলোয়াড়ের উপর নির্ভরশীল নয়।
মিডফিল্ডে নর্থবেঙ্গলের খেলোয়াড়রা পুরো ম্যাচে আধিপত্য বিস্তার করেছে। তাদের পাসিং, গতি এবং প্রেসিং মেদিনীপুরকে বারবার ভুল করতে বাধ্য করেছে।
মেদিনীপুরের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় সমস্যা ছিল রক্ষণভাগের দুর্বলতা। গোলের পর গোল খাওয়ার পর তাদের খেলায় আত্মবিশ্বাস হারিয়ে যায়। মাঝমাঠেও তারা নর্থবেঙ্গলের চাপ সামলাতে পারেনি।
এই ম্যাচে সবচেয়ে বড় পার্থক্য তৈরি করেছে দুই দলের কৌশলগত পরিকল্পনা। নর্থবেঙ্গল ইউনাইটেড এফসি শুরু থেকেই উচ্চ গতির ফুটবল খেলেছে। তারা উইং দিয়ে আক্রমণ করেছে এবং মাঝমাঠে প্রেসিং তৈরি করেছে।
মেদিনীপুর মূলত রক্ষণে সংগঠিত থাকার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু প্রথম গোল খাওয়ার পর তাদের পরিকল্পনা ভেঙে পড়ে। এরপর তারা আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি।
এই ম্যাচ জয়ের ফলে নর্থবেঙ্গল ইউনাইটেড এফসি ১৩ ম্যাচে ২০ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে উঠে এসেছে। এটি তাদের জন্য বড় সাফল্য হলেও এখনও নকআউট নিশ্চিত হয়নি।
তাদের সামনে এখনও একটি ম্যাচ বাকি রয়েছে। ২৬ জানুয়ারি নর্থ ২৪ পরগনার বিরুদ্ধে সেই ম্যাচে জয় পেলেই নর্থবেঙ্গল নিশ্চিতভাবে শেষ চারে জায়গা করে নেবে।
অন্যদিকে মেদিনীপুর এই বড় হারের পর পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে রয়ে গেছে। তাদের জন্য এবারের লিগ কার্যত হতাশার অধ্যায় হয়ে উঠেছে।
বেঙ্গল সুপার লিগ শুধু একটি ফুটবল টুর্নামেন্ট নয়। এটি বাংলার ফুটবলের নতুন পরিচয়। এখানে উঠে আসছে নতুন প্রতিভা, নতুন দল এবং নতুন ফুটবল সংস্কৃতি।
ইতিমধ্যেই নকআউট নিশ্চিত করেছে জেএইচআর রয়্যাল সিটি এফসি, হাওড়া হুগলি ওয়ারিয়র্স এবং সুন্দরবন বেঙ্গল অটো এফসি। শেষ একটি জায়গার জন্য লড়াই এখন সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
নর্থবেঙ্গল ইউনাইটেড এফসির সামনে এখন শেষ সুযোগ। তাদের সামনে রয়েছে স্বপ্ন পূরণের হাতছানি।
এই ম্যাচে শুধু গোল হয়নি। হয়েছে আবেগের বিস্ফোরণ। নর্থবেঙ্গলের সমর্থকদের উল্লাস, মেদিনীপুরের সমর্থকদের হতাশা, স্টেডিয়ামের প্রতিটি মুহূর্ত ফুটবলের ভাষায় কথা বলেছে।
বেঙ্গল সুপার লিগ প্রমাণ করেছে যে বাংলার ফুটবল এখনও জীবন্ত। এখনও এই রাজ্যে ফুটবল মানুষের হৃদয়ের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত।
নর্থবেঙ্গল ইউনাইটেড এফসির সামনে এখন বড় চ্যালেঞ্জ। শেষ ম্যাচে জয় পেলেই তারা নকআউটে পৌঁছাবে। কিন্তু হারলে সব স্বপ্ন ভেঙে যেতে পারে।
এই ম্যাচের পর বেঙ্গল সুপার লিগ আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠেছে। প্রতিটি ম্যাচ এখন ফাইনালের মতো গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলার ফুটবলের ইতিহাসে এই ম্যাচ একটি স্মরণীয় অধ্যায় হয়ে থাকবে। কারণ এটি শুধু একটি বড় জয়ের গল্প নয়, এটি লড়াই, স্বপ্ন এবং সম্ভাবনার গল্প।