Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

পুজোয় নেই নিম্নচাপ তবে ষষ্ঠী-সপ্তমীতে ঝড়বৃষ্টির আশঙ্কা সতর্কতা কোন কোন জেলায় জানাল আলিপুর

পুজোয় নিম্নচাপের সরাসরি প্রভাবের আশঙ্কা না থাকলেও ষষ্ঠী-সপ্তমীতে দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে আলিপুরের পূর্বাভাস নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী ষষ্ঠীতে দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে সপ্তমীতেও এই দুই জেলার পাশাপাশি কলকাতা, হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনা, পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে আপাতত ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস নেই

পুজোয় নিম্নচাপের সরাসরি প্রভাবের আশঙ্কা কম থাকলেও দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা পুরোপুরি কাটছে না। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস নিয়ে প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, পুজোর প্রথম দিকে কলকাতা-সহ কয়েকটি জেলার কোথাও কোথাও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। তবে বিস্তীর্ণ এলাকায় একটানা ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস আপাতত নেই। ফলে ঠাকুর দেখার পরিকল্পনা বাতিল করার মতো পরিস্থিতির কথা বলা হচ্ছে না। তবে আকাশ পরিষ্কার দেখেই বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই ধরে নেওয়াও ঠিক হবে না। বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির ক্ষেত্রে একই সময়ে একটি এলাকায় বৃষ্টি হলেও কাছাকাছি অন্য জায়গা শুকনো থাকতে পারে। ষষ্ঠীতে কোথায় বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি প্রকাশিত পূর্বাভাস অনুযায়ী, ১৬ অক্টোবর ষষ্ঠীতে দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি এবং বজ্রপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের অন্য জেলাতেও কোথাও কোথাও হালকা বৃষ্টি হতে পারে। এই দুই জেলার বাসিন্দা ও দর্শনার্থীদের বাইরে বেরোনোর আগে স্থানীয় আবহাওয়ার আপডেট দেখে নেওয়া সুবিধাজনক হবে। কোনও নির্দিষ্ট সময়ে বৃষ্টি হবেই এমন নিশ্চয়তা এই পূর্বাভাস থেকে পাওয়া যাচ্ছে না। তাই সকাল বা বিকেলের জন্য স্থির সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে কাছাকাছি সময়ের পূর্বাভাস দেখা প্রয়োজন।

সপ্তমীতে কলকাতা-সহ কোন জেলাগুলো ভিজতে পারে ১৭ অক্টোবর দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা উল্লেখ রয়েছে। পাশাপাশি কলকাতা, হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনা, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামেও বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি হতে পারে। ওই দিনের পূর্বাভাসে দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলোতে শুকনো আবহাওয়ার কথা বলা হয়েছে। অর্থাৎ দক্ষিণবঙ্গের সর্বত্র একই ধরনের আবহাওয়া থাকবে না। জেলা অনুযায়ী বৃষ্টির সম্ভাবনার পার্থক্য রয়েছে। আবার জেলার সমস্ত অংশেও সমান বৃষ্টি হবে, এমন ধরে নেওয়া যাবে না। নিম্নচাপের প্রভাব কম হলেও বৃষ্টির সম্ভাবনা কেন থাকছে নিম্নচাপের সরাসরি প্রভাব না থাকা এবং সম্পূর্ণ বৃষ্টিহীন আবহাওয়া এক বিষয় নয়। আলিপুরের পূর্বাভাস নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপের প্রভাব বাংলায় না পড়লেও দক্ষিণবঙ্গে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সুযোগ রয়েছে। তাই নিম্নচাপের প্রভাব নেই কথাটিকে পুজোর কোনও দিন বৃষ্টি হবে না হিসেবে ব্যাখ্যা করা উচিত নয়। একইভাবে, বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনাকে সর্বত্র বড় দুর্যোগের নিশ্চিত পূর্বাভাস হিসেবেও দেখা যাবে না। ঠাকুর দেখতে বেরোনোর পরিকল্পনায় কী রাখবেন বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখে সঙ্গে ছাতা বা হালকা রেনকোট রাখা যেতে পারে। মোবাইল, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও অন্যান্য মূল্যবান জিনিস জল থেকে বাঁচানোর ব্যবস্থা রাখলে সুবিধা হবে। একাধিক মণ্ডপ ঘোরার পরিকল্পনা থাকলে যাতায়াতের জন্য কিছুটা অতিরিক্ত সময় রাখুন। অল্প সময়ের বৃষ্টিতেও ভিড়ের মধ্যে চলাচল ধীর হতে পারে। শিশু ও প্রবীণদের সঙ্গে থাকলে মাঝপথে বিশ্রাম বা আশ্রয় নেওয়ার জায়গা সম্পর্কে ধারণা রাখাও কাজে আসবে। মণ্ডপ কর্তৃপক্ষের ক্ষেত্রেও প্রবেশ ও বেরোনোর পথ পিচ্ছিল হচ্ছে কি না, জল জমছে কি না এবং দর্শনার্থীদের চলাচলে সমস্যা হচ্ছে কি না সেদিকে নজর রাখা প্রয়োজন। পুজোর পরের দিনগুলো কেমন যেতে পারে ১৪ অক্টোবর প্রকাশিত পূর্বাভাস অনুযায়ী ১৮ থেকে ২২ অক্টোবর দক্ষিণবঙ্গে আবহাওয়া মোটের উপর শুকনো থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে কয়েক দিন পরের পূর্বাভাস সময়ের সঙ্গে বদলাতে পারে।

পুজোর আনন্দের মধ্যেও আবহাওয়ার দিকে নজর রাখতে হচ্ছে দর্শনার্থীদের। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৭ অক্টোবর দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলায় হালকা ও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে। তবে সর্বত্র একটানা বৃষ্টি বা ভারী বর্ষণের পরিস্থিতির কথা বলা হয়নি। ফলে পুজোয় বেরোনোর পরিকল্পনা করার সময় নিজের এলাকার পূর্বাভাসকে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। কোন কোন জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে ১৭ অক্টোবরের পূর্বাভাসে দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা উল্লেখ রয়েছে। পাশাপাশি কলকাতা, হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনা, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামের কোথাও কোথাও বৃষ্টি হতে পারে। দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলোতে ওই দিন আবহাওয়া শুকনো থাকার সম্ভাবনা জানানো হয়েছে। এই পূর্বাভাসের অর্থ, কলকাতা বা সংশ্লিষ্ট কোনও জেলার প্রতিটি জায়গায় একই সময়ে বৃষ্টি হবে না। বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিতে একটি এলাকা কিছুক্ষণের জন্য ভিজলেও অন্য এলাকায় বৃষ্টি নাও হতে পারে। তাই শুধু জেলার নাম দেখে গোটা দিনের পরিকল্পনা বাতিল না করে স্থানীয় পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়া সুবিধাজনক। কখন বৃষ্টি শুরু হবে, কতক্ষণ চলবে কিংবা কোন মণ্ডপের এলাকায় বৃষ্টি হবে এই বিস্তারিত তথ্য সাধারণ জেলা ভিত্তিক পূর্বাভাস থেকে নিশ্চিতভাবে জানা যায় না। বাইরে বেরোনোর কাছাকাছি সময়ে প্রকাশিত আপডেট সেই কারণে বেশি কার্যকর হতে পারে। নিম্নচাপের সরাসরি প্রভাব না থাকলেও বৃষ্টি হতে পারে পুজোর আবহাওয়া নিয়ে আলোচনায় নিম্নচাপের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। তবে নিম্নচাপের সরাসরি প্রভাব না থাকা মানেই সম্পূর্ণ বৃষ্টিহীন আকাশ নয়। আলিপুরের পূর্বাভাস নিয়ে প্রকাশিত খবরে বাংলায় নিম্নচাপের সরাসরি প্রভাবের আশঙ্কা কম থাকার পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনার কথাও বলা হয়েছে। সেই কারণে নিম্নচাপের প্রভাব নেই শুনে ছাতা ছাড়াই বেরিয়ে পড়ার আগে স্থানীয় পূর্বাভাস দেখে নেওয়া ভালো। আবার বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলেই বড় দুর্যোগ নিশ্চিত, এমন ভাবারও কারণ নেই। বৃষ্টির বিস্তার, তীব্রতা ও স্থায়িত্ব এই বিষয়গুলোর মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। বৃষ্টির সম্ভাবনা মাথায় রেখে ঘোরার পরিকল্পনা একাধিক মণ্ডপ ঘোরার পরিকল্পনা থাকলে রুটের পাশাপাশি বিকল্প যাতায়াতের ব্যবস্থাও ভেবে রাখুন। কোথায় গণপরিবহণ পাওয়া যাবে, কাছাকাছি কোথায় অপেক্ষা করা সম্ভব এবং বৃষ্টি নামলে কোন পথে ফিরবেন এসব বিষয়ে আগে ধারণা থাকলে অস্বস্তি কমতে পারে। মণ্ডপ থেকে মণ্ডপে যাওয়ার মধ্যে কিছুটা অতিরিক্ত সময় রাখাও সুবিধাজনক। অল্প সময়ের বৃষ্টিতেও দর্শনার্থীরা আশ্রয়ের জন্য থেমে যেতে পারেন। সেই সময় কোনও রাস্তা বা প্রবেশপথে ভিড় বাড়তে পারে। ফলে খুব আঁটসাঁট সময়সূচির পরিবর্তে প্রয়োজন অনুযায়ী পরিকল্পনা বদলানোর সুযোগ রাখুন।

news image
আরও খবর

দূর থেকে কলকাতা বা অন্য শহরে ঠাকুর দেখতে এলে ফেরার ব্যবস্থা আগে ঠিক করে রাখুন। সঙ্গে থাকা সদস্যদের সঙ্গে একটি নির্দিষ্ট মিলিত হওয়ার জায়গা স্থির করলেও ভিড়ে আলাদা হয়ে গেলে সুবিধা হবে। সঙ্গে কী রাখলে সুবিধা হবে ছোট ছাতা বা হালকা রেনকোট সঙ্গে রাখা যেতে পারে। তবে ভিড়ের মধ্যে বড় ছাতা ব্যবহার করতে গিয়ে আশপাশের মানুষের চলাচলে বাধা হচ্ছে কি না, খেয়াল রাখুন। পরিস্থিতি অনুযায়ী রেনকোট সুবিধাজনক হতে পারে। মোবাইল, টাকা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জল থেকে বাঁচানোর জন্য একটি জলরোধী পাউচ কাজে আসতে পারে। আরামদায়ক ও ভালো গ্রিপযুক্ত জুতো বেছে নিন। ভেজা জুতো বা পোশাকে দীর্ঘ সময় ঘুরতে হলে অস্বস্তি হতে পারে, তাই দীর্ঘ দিনের পরিকল্পনায় প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত সামগ্রীও রাখা যায়। শিশু ও প্রবীণদের সঙ্গে থাকলে পরিকল্পনায় সময় রাখুন পরিবারে শিশু বা প্রবীণ সদস্য থাকলে দীর্ঘ হাঁটা ও অপেক্ষার বিষয়টি বিবেচনা করুন। বৃষ্টি শুরু হলে দ্রুত এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যাওয়ার চাপ না বাড়িয়ে কাছাকাছি উপযুক্ত আশ্রয়ে অপেক্ষা করার সুযোগ রাখুন। প্রয়োজনীয় ওষুধ, পানীয় জল এবং জরুরি যোগাযোগের নম্বর সঙ্গে রাখলে সুবিধা হবে। এক দিনে অনেক মণ্ডপ দেখার লক্ষ্য রাখার বদলে দলের সকলের স্বাচ্ছন্দ্য অনুযায়ী রুট ঠিক করুন। আবহাওয়া বদলালে কয়েকটি মণ্ডপ বাদ দিয়ে ছোট রুট বেছে নেওয়ার সুযোগও রাখুন। মণ্ডপ কর্তৃপক্ষের প্রস্তুতিতে কোন বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলে প্রবেশ ও বেরোনোর পথ নিয়মিত দেখে নেওয়া প্রয়োজন। কোথাও জল জমছে কি না, মেঝে পিচ্ছিল হচ্ছে কি না এবং দর্শনার্থীদের চলাচলে বাধা তৈরি হচ্ছে কি না স্বেচ্ছাসেবকেরা সেদিকে নজর রাখতে পারেন। বৃষ্টি নামলে দর্শনার্থীরা একসঙ্গে ছাউনির নীচে বা প্রবেশপথে জড়ো হতে পারেন। সেই পরিস্থিতিতে পথ পরিষ্কার রাখা এবং নির্দেশনা স্পষ্টভাবে জানানো গুরুত্বপূর্ণ। দর্শনার্থীদেরও কর্তৃপক্ষের নির্দেশ মেনে ধীরে চলাচল করা প্রয়োজন। ১৮ থেকে ২২ অক্টোবরের পূর্বাভাসে কী রয়েছে ১৪ অক্টোবর প্রকাশিত পূর্বাভাস অনুযায়ী, ১৮ থেকে ২২ অক্টোবর দক্ষিণবঙ্গে আবহাওয়া মোটের উপর শুকনো থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এটি কয়েক দিন আগের পূর্বাভাস পরবর্তী আপডেটে পরিবর্তন হতে পারে।

 

 

Preview image