Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী হই কি না তান্ত্রিক লোকনাথের শরণ নেব কি কাঞ্চন মুখোপাধ্যায়

কাঞ্চন মুখোপাধ্যায় জানালেন তিনি এখন যজ্ঞের জন্য কাঠ সাজাতে ও যজ্ঞ সম্পূর্ণভাবে চালাতে সক্ষম।

কাঞ্চন মল্লিকের তান্ত্রিক চরিত্র ‘লোকনাথ চক্রবর্তী’: ওয়েব সিরিজে অভিনয়ের ভেতরেকার গল্প ও প্রক্রিয়া

বাংলা ওয়েব সিরিজের জগতে এবার দর্শকরা পাচ্ছেন এক নতুন ধরনের চরিত্র – তান্ত্রিক, কৌশলী এবং রহস্যময় ‘লোকনাথ চক্রবর্তী’। এই চরিত্রের মাধ্যমে কৌতুকাভিনয়ের সুপরিচিত অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক প্রথমবারের মতো দর্শকদের সামনে আসছেন এক ভিন্ন রূপে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি কৌতুকাভিনয়, নাটক, টেলিভিশন ও ছোটপর্দার বিভিন্ন চরিত্রে দর্শক হৃদয় জয় করেছেন। এবার তিনি কাঁধে নিয়েছেন এক জটিল চরিত্রের দায়িত্ব, যা শুধু ভৌত উপস্থিতি নয়, বরং মানসিক গভীরতা, তান্ত্রিক জ্ঞান এবং রহস্যময়তার মিশ্রণ।

ওয়েব সিরিজের পটভূমি

সিরিজের মূল গল্প আবর্তিত হয়েছে তান্ত্রিক লোকনাথ চক্রবর্তীর চারপাশে। দর্শকরা দেখবেন, লোকনাথ তান্ত্রিক অধ্যাপক ভাদুড়িমশাইয়ের শীর্ষ ছাত্র। কিন্তু অতিরিক্ত কৌতূহল এবং বিদ্যার গভীরে প্রবেশের আকাঙ্ক্ষা তাঁকে শিক্ষকের চোখে ‘অপ্রীতিকর’ করে তোলে। কেবল জ্ঞান অর্জনের তাগিদেই তিনি এমন কাজ করতে শুরু করেন, যা সাধারণ মানুষের দৃষ্টিতে ‘দুষ্টুমি’ মনে হতে পারে। কাঞ্চন নিজে বলেন, “দুষ্টুমি ঠিক নয়। ‘দুষ্টু’ বললে লোকনাথ চক্রবর্তীর প্রকৃত চরিত্রকে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হবে। তিনি খল বা ধূসর চরিত্র নয়।”

লোকনাথ চক্রবর্তীর তান্ত্রিক দক্ষতা দর্শকদের দেখাবে এক ধরনের গুপ্তবিদ্যা, যা ডাক্তারি বিদ্যার মতোই কার্যকর। যেমন ডাক্তার রোগীর জীবন বাঁচান, কেউ কেউ কিডনি পাচারের মতো অন্যায় কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হন, তেমনি তান্ত্রিক জ্ঞানও মানুষ বা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত হতে পারে। লোকনাথের চরিত্রে এই দিকটি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

চরিত্রের মনস্তাত্ত্বিক দিক

লোকনাথ শুধুই কৌশলী নয়, তিনি আধ্যাত্মিকভাবে গভীর এবং সংবেদনশীলও। কৌতূহল এবং বিদ্যার আকাঙ্ক্ষা তাঁকে প্রলোভনের পথে নিয়ে আসে। কিন্তু কাঞ্চন স্পষ্টভাবে বলেন, লোকনাথ ‘খারাপ’ চরিত্র নয়। এমনকি একজন রজঃস্বলা মেয়ের প্রতি তিনি সম্মান দেখান এবং তাকে ‘মা’ সম্বোধন করে রক্ত চেয়ে নেন। এটি চরিত্রের মানবিক দিক ফুটিয়ে তোলে। নারী প্রতি আসক্তি নেই, বরং নিজের নৈতিক নীতি মেনে চলেন। পিশাচ গেনুর মতো চরিত্রকে নিয়ন্ত্রণ করতে মন্ত্র ব্যবহার করেন, যাতে অন্যরা ক্ষতি করতে না পারে।

অভিনয় প্রক্রিয়া ও প্রস্তুতি

কাঞ্চন মল্লিকের জন্য লোকনাথ চক্রবর্তীর চরিত্রে অভিনয় করা মানে ছিল শুধুই মুখাভিনয় নয়। এটি ছিল মানসিক, শারীরিক এবং আধ্যাত্মিক প্রস্তুতির সমন্বয়। তিনি জানালেন, “আমি এখন যজ্ঞের কাঠ ধরাতে পারি! যজ্ঞ করতে পারি। যদি সাজানো কাঠ ভেঙে যায়, সঙ্গে সঙ্গে সেটি ঠিক করে জ্বালিয়ে দিতে পারব।” অর্থাৎ অভিনেতা চরিত্রের সঙ্গে এমনভাবে মিশে গেছেন যে দর্শক সত্যিই অনুভব করবে তিনি লোকনাথ হয়ে উঠেছেন।

চরিত্রের জন্য মন্ত্র, পূজা ও ধ্যানের পদ্ধতি শেখা হয়েছিল। ধ্যানমন্ত্র, পূজামন্ত্র এবং আহুতিমন্ত্র কাঞ্চন মুখস্থ করেছেন। তবে পিশাচমন্ত্রের ক্ষেত্রে তিনি কিছুটা সীমাবদ্ধ ছিলেন, কারণ তা বাস্তব শারীরিক এবং মানসিক বিপদের সৃষ্টি করতে পারত। চরিত্রের রূপান্তরও ছিল চ্যালেঞ্জিং। তিনটি আলাদা লুক তৈরি করা হয়েছিল – ছাত্র অবস্থায়, সাধনার সময় এবং সাধনা সম্পূর্ণ হওয়ার পরে। শ্রীময়ী দর্শক এবং সহকর্মীর সঙ্গে লুক চূড়ান্ত হয়। অভিজিৎ ল্যাটেক্স ও জলফোসকা ব্যবহার করে সারা মুখে ছাই মেখে বাস্তবধর্মী রূপ তৈরি করা হয়।

শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন

মেকআপ ও রূপান্তরের পরে কাঞ্চন নিজেকে একেবারেই অন্য চরিত্রে অভ্যস্ত মনে করেন। তার ভীষণ ছটফটানি চলে যায়, নড়াচড়ার গতি আস্তে হয়। কথাবার্তা শান্ত ও মৃদু হয়ে ওঠে। এই অভিজ্ঞতা তাকে বাস্তবিকভাবে লোকনাথ চক্রবর্তী করে তোলে।

দর্শক প্রতিক্রিয়া ও আগ্রহ

দর্শকেরা সিরিজের মুক্তির অপেক্ষায়। নির্বাচনী এলাকা থেকেও লোকজন কৌতূহল প্রকাশ করেছেন কখন তারা সিরিজ দেখবেন। ঠান্ডা শীতে ভূতের গল্পের প্রতি দর্শকের আগ্রহ আরও বৃদ্ধি পায়। কাঞ্চন স্পষ্টভাবে বলেন, দর্শকের আগ্রহে ভাটা হয়নি, বরং আগ্রহ আরও বেড়েছে।

অভিনয় জীবনের পরিবর্তন

কাঞ্চনের জন্য এটি শুধুই তান্ত্রিকের চরিত্র নয়, বরং অভিনয়ের দিক থেকেও নতুন অধ্যায়। দীর্ঘ সময়ের কৌতুকাভিনয়ের পর তিনি এখন ভিন্ন ধরনের চরিত্রে অভিনয় করছেন। ‘রাজকাহিনী’, ‘মন্টু পাইলট’, ‘নিকষছায়া ১’ – এই ধারার চরিত্রগুলি তাঁকে নতুন অভিজ্ঞতা দিয়েছে। তবে লোকনাথ চক্রবর্তীর মতো গভীর চরিত্র অভিনয় করা সম্পূর্ণ নতুন চ্যালেঞ্জ ছিল।

তন্ত্র ও ভূতবিশ্বাস

কাঞ্চন নিজেও তন্ত্র ও ভূতে বিশ্বাসী। যদিও সরাসরি কিছু দেখেননি, তবে অদ্ভুত পরিস্থিতিতে শরীর ভারী হয়ে যায়, অস্বস্তি দেখা দেয়। গভীর রাতে শুটিংয়ে সহকর্মীর অভিজ্ঞতা দেখে তিনি ভয় পান। তবে এই ভয় চরিত্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এটি অভিনয়ে বাস্তবতা যোগ করে এবং দর্শককে আকৃষ্ট করে।

পরিচালনা ও প্রযোজনার জটিলতা

সিরিজের পরিচালক পরিবর্তনের কারণে কিছু বিতর্ক ছিল। কাঞ্চন এ বিষয়ে বেশি কথা বলতে চাননি, শুধু বললেন যে কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং ওয়েব প্ল্যাটফর্মে সিরিজ আবার দেখা যাবে। পরবর্তী সময়ে সিরিজটি পরমব্রত পরিচালনা করবেন। এটি প্রমাণ করে যে, পেশাদার প্রযোজনা ও অভিনেতার সহযোগিতার মাধ্যমে চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করা সম্ভব।

চরিত্রের নৈতিকতা ও দৃষ্টিভঙ্গি

লোকনাথের চরিত্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো নৈতিকতা। তিনি খল চরিত্র নন, বরং গভীর জ্ঞানী। তিনি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন, কিন্তু মানুষকে ক্ষতি করার জন্য নয়। দর্শকরা দেখবেন, চরিত্রে রহস্য, কৌশল, নৈতিকতা ও আধ্যাত্মিকতার অনন্য সমন্বয়।

চরিত্রের পটভূমি

লোকনাথ চক্রবর্তী একজন তান্ত্রিক, যিনি অধ্যাপক ভাদুড়িমশাইয়ের সেরা ছাত্র ছিলেন। অতিরিক্ত কৌতূহল এবং বিদ্যার প্রতি আগ্রহ তাঁকে এমন জায়গায় নিয়ে আসে, যেখানে সাধারণ মানুষের দৃষ্টিতে তার কর্মকাণ্ড ‘দুষ্টুমি’ মনে হতে পারে। তবে কাঞ্চন স্পষ্টভাবে বলেন, “দুষ্টুমি ঠিক নয়। ‘দুষ্টু’ বললে লোকনাথ চক্রবর্তীর প্রকৃত চরিত্রকে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হবে। তিনি খল বা ধূসর চরিত্র নয়।”

news image
আরও খবর

লোকনাথ চক্রবর্তীর তান্ত্রিক দক্ষতা দর্শকদের দেখাবে এক ধরনের গুপ্তবিদ্যা। যেমন ডাক্তার রোগীর জীবন বাঁচান, কেউ কেউ কিডনি পাচারের মতো অন্যায় কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হন, তেমনি তান্ত্রিক জ্ঞানও মানুষ বা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত হতে পারে। লোকনাথের চরিত্রে এই দিকটি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।


চরিত্রের মনস্তাত্ত্বিক দিক

লোকনাথ শুধুই কৌশলী নয়, তিনি আধ্যাত্মিকভাবে গভীর এবং সংবেদনশীলও। কৌতূহল এবং বিদ্যার আকাঙ্ক্ষা তাঁকে প্রলোভনের পথে নিয়ে আসে। কাঞ্চন জানান, লোকনাথ ‘খারাপ’ চরিত্র নয়। এমনকি একজন রজঃস্বলা মেয়ের প্রতি তিনি সম্মান দেখান এবং তাকে ‘মা’ সম্বোধন করে রক্ত চেয়ে নেন। এটি চরিত্রের মানবিক দিক ফুটিয়ে তোলে। নারী প্রতি আসক্তি নেই, বরং নিজের নৈতিক নীতি মেনে চলেন। পিশাচ গেনুর মতো চরিত্রকে নিয়ন্ত্রণ করতে মন্ত্র ব্যবহার করেন, যাতে অন্যরা ক্ষতি করতে না পারে।

চরিত্রের মূল দিক হলো নৈতিকতা ও মানবিকতা। লোকনাথ কেবল ক্ষমতা ও জ্ঞান অর্জনের জন্য কাজ করেন, অন্যকে ক্ষতি করতে নয়। দর্শকরা দেখবেন চরিত্রের মধ্যে রহস্য, কৌশল এবং নৈতিকতার একটি অনন্য সমন্বয়।


অভিনয়ের প্রস্তুতি ও চ্যালেঞ্জ

কাঞ্চন মল্লিকের জন্য লোকনাথ চক্রবর্তীর চরিত্রে অভিনয় করা মানে ছিল শুধুই মুখাভিনয় নয়। এটি ছিল মানসিক, শারীরিক এবং আধ্যাত্মিক প্রস্তুতির সমন্বয়।

যজ্ঞ ও মন্ত্র প্র্যাকটিস

কাঞ্চন জানান, তিনি এখন যজ্ঞের কাঠ ধরাতে পারেন এবং যজ্ঞ করতে সক্ষম। যদি সাজানো কাঠ ভেঙে যায়, সঙ্গে সঙ্গে তা ঠিক করে জ্বালিয়ে দিতে পারেন। এটি দেখায় যে অভিনেতা চরিত্রের সঙ্গে এমনভাবে মিশে গেছেন যে দর্শক সত্যিই অনুভব করবে তিনি লোকনাথ হয়ে উঠেছেন।

তিনি ধ্যানমন্ত্র, পূজামন্ত্র, আহুতিমন্ত্র শেখেছেন। তবে পিশাচমন্ত্রের ক্ষেত্রে তিনি কিছুটা সীমাবদ্ধ ছিলেন, কারণ তা বাস্তব শারীরিক এবং মানসিক বিপদের সৃষ্টি করতে পারত।


রূপান্তর ও মেকআপ

চরিত্রের রূপান্তরও ছিল চ্যালেঞ্জিং। তিনটি আলাদা লুক তৈরি করা হয়েছিল –

  1. ছাত্র অবস্থায়

  2. সাধনার সময়

  3. সাধনা সম্পূর্ণ হওয়ার পরে

শ্রীময়ী এবং সহকর্মীর সঙ্গে আলোচনা করে চূড়ান্ত লুক নির্বাচন করা হয়। অভিজিৎ ল্যাটেক্স ও জলফোসকা ব্যবহার করে সারা মুখে ছাই মেখে বাস্তবধর্মী রূপ তৈরি করা হয়। কাঞ্চন জানান, তিনটি লুকের মধ্যে তৃতীয় লুকটি দর্শকরা সবচেয়ে বেশি মনে রাখবেন।


শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন

মেকআপ ও রূপান্তরের পরে কাঞ্চন নিজেকে একেবারেই অন্য চরিত্রে অভ্যস্ত মনে করেন। তার ভীষণ ছটফটানি চলে যায়, নড়াচড়ার গতি আস্তে হয়। কথাবার্তা শান্ত ও মৃদু হয়ে ওঠে। এই অভিজ্ঞতা তাকে বাস্তবিকভাবে লোকনাথ চক্রবর্তী করে তোলে।

শরীরের ভারী ভাব, কথার স্বর নিয়ন্ত্রণ, ধীরগতিতে চলাচল – সব মিলিয়ে অভিনয়কে একটি বাস্তবধর্মী তাত্ত্বিক ভিত্তি প্রদান করে।


দর্শক প্রতিক্রিয়া

দর্শকরা সিরিজের মুক্তির জন্য আগ্রহী। নির্বাচনী এলাকা থেকেও লোকজন কৌতূহল প্রকাশ করেছেন কখন তারা সিরিজ দেখবেন। ঠান্ডা শীতে ভূতের গল্পের প্রতি দর্শকের আগ্রহ আরও বৃদ্ধি পায়। কাঞ্চন স্পষ্টভাবে বলেন, দর্শকের আগ্রহে ভাটা হয়নি, বরং আগ্রহ আরও বেড়েছে।


অভিনয় জীবনের পরিবর্তন

কাঞ্চনের জন্য এটি শুধুই তান্ত্রিকের চরিত্র নয়, বরং অভিনয়ের দিক থেকেও নতুন অধ্যায়। দীর্ঘ সময়ের কৌতুকাভিনয়ের পর তিনি এখন ভিন্ন ধরনের চরিত্রে অভিনয় করছেন। ‘রাজকাহিনী’, ‘মন্টু পাইলট’, ‘নিকষছায়া ১’ – এই ধারার চরিত্রগুলি তাঁকে নতুন অভিজ্ঞতা দিয়েছে।


তন্ত্র ও ভূতবিশ্বাস

কাঞ্চন নিজেও তন্ত্র ও ভূতে বিশ্বাসী। যদিও সরাসরি কিছু দেখেননি, তবে অদ্ভুত পরিস্থিতিতে শরীর ভারী হয়ে যায়, অস্বস্তি দেখা দেয়। গভীর রাতে শুটিংয়ে সহকর্মীর অভিজ্ঞতা দেখে তিনি ভয় পান। তবে এই ভয় চরিত্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এটি অভিনয়ে বাস্তবতা যোগ করে এবং দর্শককে আকৃষ্ট করে।


প্রযোজনাগত জটিলতা

সিরিজের পরিচালক পরিবর্তনের কারণে কিছু বিতর্ক ছিল। কাঞ্চন এ বিষয়ে বেশি কথা বলতে চাননি, শুধু বললেন যে কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং ওয়েব প্ল্যাটফর্মে সিরিজ আবার দেখা যাবে। পরবর্তী সময়ে সিরিজটি পরমব্রত পরিচালনা করবেন। এটি প্রমাণ করে যে, পেশাদার প্রযোজনা ও অভিনেতার সহযোগিতার মাধ্যমে চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করা সম্ভব।


চরিত্রের নৈতিকতা ও দৃষ্টিভঙ্গি

লোকনাথের চরিত্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো নৈতিকতা। তিনি খল চরিত্র নন, বরং গভীর জ্ঞানী। তিনি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন, কিন্তু মানুষকে ক্ষতি করার জন্য নয়। দর্শকরা দেখবেন, চরিত্রে রহস্য, কৌশল, নৈতিকতা ও আধ্যাত্মিকতার অনন্য সমন্বয়।


অভিনেতার বাস্তব অভিজ্ঞতা

কাঞ্চন জানান, শ্রীময়ী বারাণসীর সঙ্গে একবার গভীর রাতে ঘাটে বসে অঘোরী তান্ত্রিক দেখেছিলেন। সেই অভিজ্ঞতা তার অভিনয়ের জন্য অনুপ্রেরণা দেয়। চরিত্রের ভীতিকর দৃশ্যের জন্য তিনি বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং শারীরিক প্রতিক্রিয়া ব্যবহার করেছেন।


সিরিজের দর্শন ও বিনোদন

এই সিরিজ শুধুই বিনোদন নয়। এটি দর্শকদেরকে তন্ত্র, আধ্যাত্মিকতা এবং মানবিক দিকের মধ্যে লুকিয়ে থাকা শক্তি ও নৈতিকতার প্রতিফলন দেখাবে। কাঞ্চন মল্লিকের অনন্য অভিনয় দর্শককে তৈরি করবে এক স্বতন্ত্র, গভীর ও রহস্যময় অভিজ্ঞতার জন্য।


উপসংহার

কাঞ্চন মল্লিকের অভিনয়ে ‘লোকনাথ চক্রবর্তী’ কেবল এক তান্ত্রিক চরিত্র নয়। এটি একটি মানসিক, আধ্যাত্মিক এবং মানবিক ভ্রমণ। চরিত্রের জন্য অভিনয়ের প্রস্তুতি, মন্ত্র ও ধ্যানের প্র্যাকটিস, রূপান্তর, দর্শকের প্রতিক্রিয়া এবং সিরিজের প্রযোজনাগত জটিলতা – সব মিলিয়ে এটি বাংলা ওয়েব সিরিজের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য ধারা। দর্শকরা পাবেন কৌশলী, রহস্যময়, মানবিক ও আধ্যাত্মিকভাবে সমৃদ্ধ একটি চরিত্র।

এই চরিত্র এবং সিরিজ দর্শকদেরকে কেবল বিনোদন দেবে না, বরং তাদের চিন্তাভাবনা ও অনুভূতিতে গভীর প্রভাব ফেলবে। কাঞ্চন মল্লিকের অভিনয় সত্যিই দর্শককে এক নতুন অভিজ্ঞতার সঙ্গে পরিচয় করাবে।

Preview image