Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

‘দুই’ বৈভবকে খুঁজে পেয়েছেন শ্রেয়স, ১৫ বছরের ব্যাটারকে কি ওয়েস্ট ইন্ডিজ় সিরিজ়ে খেলাবেন? জবাব অধিনায়কের

এশিয়ান গেমসে অভিষেক শর্মা ও সঞ্জু স্যামসনের মতো অভিজ্ঞ ওপেনার থাকা সত্ত্বেও ১৫ বছরের বৈভব সূর্যবংশীকে ওপেনার হিসাবে রাখা হয়েছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ় সিরিজ়ে কি ভারতীয় দলের প্রথম একাদশেও সুযোগ পাবেন এই তরুণ ব্যাটার? জানিয়েছেন ভারত অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার।

ব্যাট হাতে মাঠে নামলেই যেন অন্য মানুষ। প্রতিপক্ষের বোলারদের নিয়ে ছেলেখেলা করতে তাঁর জুড়ি মেলা ভার। বয়স মাত্র ১৫ বছর হলেও ব্যাটিংয়ের আগ্রাসন এবং আত্মবিশ্বাসে অনেক পরিণত ক্রিকেটারের ছাপ দেখা যায় বৈভব সূর্যবংশীর খেলায়। কিন্তু মাঠের বাইরে সেই বৈভবই সম্পূর্ণ অন্য রকম। শান্ত, চুপচাপ এবং অত্যন্ত সহজ-সরল। ভারতীয় দলের অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই এই তরুণ ক্রিকেটারের এমন দুই রূপের সন্ধান পেয়েছেন।

এশিয়ান গেমসে ভারতীয় ক্রিকেট দলে সুযোগ পাওয়ার পর থেকেই আলোচনার কেন্দ্রে বৈভব। মাত্র ১৫ বছর বয়সে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের মঞ্চে পা রাখার সম্ভাবনা তাঁকে ভারতীয় ক্রিকেটের অন্যতম আকর্ষণীয় তরুণ প্রতিভায় পরিণত করেছে। ব্যাট হাতে তাঁর আগ্রাসী ক্রিকেট ইতিমধ্যেই ক্রিকেটপ্রেমীদের নজর কেড়েছে। কিন্তু শ্রেয়সের বক্তব্যে উঠে এসেছে বৈভবের এমন একটি দিক, যা মাঠের পারফরম্যান্সের বাইরের।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজ় শুরু হওয়ার আগে ‘জিয়োস্টার’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বৈভবকে নিয়ে কথা বলেছেন শ্রেয়স। ভারত অধিনায়কের কথায় স্পষ্ট, দলের সাজঘরে অল্প সময়েই নিজের জায়গা করে নিয়েছেন এই তরুণ। শুধু তাঁর ব্যাটিং প্রতিভাই নয়, ব্যক্তি বৈভবকেও কাছ থেকে বোঝার চেষ্টা করছেন শ্রেয়স।

মাঠের বাইরে কেমন বৈভব?

ক্রিকেটার বৈভব সূর্যবংশীকে নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রচুর আলোচনা হয়েছে। মাত্র ১৫ বছর বয়সে তাঁর ব্যাটিংয়ের পরিণত মানসিকতা, শট খেলার দক্ষতা এবং প্রতিপক্ষের বোলারদের বিরুদ্ধে আগ্রাসী মনোভাব তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করে তুলেছে। কিন্তু একজন তরুণ ক্রিকেটারের জীবনের সম্পূর্ণ ছবি শুধুমাত্র মাঠের পারফরম্যান্স দিয়ে বোঝা সম্ভব নয়।

শ্রেয়স সেই জায়গাটিই তুলে ধরেছেন। তাঁর সঙ্গে নিয়মিত কথা বলেন ভারত অধিনায়ক। তবে সেই কথাবার্তার বিষয় সবসময় ক্রিকেট নয়। বৈভবের পরিবার, তাঁর ব্যক্তিগত জীবন এবং মাঠের বাইরের সময় কী ভাবে কাটে—এসব নিয়েও শ্রেয়স জানতে চান।

শ্রেয়স বলেছেন, তিনি সবসময় বৈভবের সঙ্গে কথা বলেন। সাধারণত সবাই তাঁর ক্রিকেট, ব্যাটিং এবং প্রতিভা নিয়ে আলোচনা করেন। কিন্তু মাঠের বাইরে তাঁর জীবন কেমন, সেই বিষয়টি অনেকেরই অজানা। তাই বৈভবের পরিবার নিয়ে কথা বলেন শ্রেয়স। তরুণ ক্রিকেটার যখন নিজের কথা বলেন, তখন তা শুনতেও তাঁর ভাল লাগে।

এই মন্তব্য থেকেই বোঝা যায়, ভারতীয় দলের সাজঘরে বৈভবকে শুধুমাত্র একজন প্রতিভাবান ব্যাটার হিসাবে দেখা হচ্ছে না। তাঁকে ধীরে ধীরে দলের পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার সুযোগও দেওয়া হচ্ছে।

মাঠে আগ্রাসী, মাঠের বাইরে শান্ত

বৈভবকে নিয়ে শ্রেয়সের সবচেয়ে আকর্ষণীয় মন্তব্য তাঁর দুই ভিন্ন রূপ নিয়ে। ভারত অধিনায়কের মতে, মাঠের ভিতরে এবং মাঠের বাইরে সম্পূর্ণ আলাদা বৈভব।

মাঠের বাইরে তিনি অত্যন্ত চুপচাপ। কিন্তু ব্যাট হাতে মাঠে নামলেই যেন তাঁর মধ্যে সম্পূর্ণ অন্য এক ব্যক্তিত্ব দেখা যায়। বোলারদের বিরুদ্ধে ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলার ক্ষমতা রয়েছে তাঁর। মাত্র ১৫ বছর বয়সে এমন মানসিকতা নিঃসন্দেহে বড় সম্পদ।

শ্রেয়স বৈভবকে ‘খুব মিষ্টি একটা ছেলে’ বলেও উল্লেখ করেছেন। তাঁর সঙ্গে কথা বলতে ভাল লাগে বলেও জানিয়েছেন ভারত অধিনায়ক। এমনকি সাজঘরে বৈভবের মতো ক্রিকেটারের থাকা অত্যন্ত প্রয়োজন বলেও মনে করেন তিনি।

এখানেই বৈভবের ক্রিকেটীয় যাত্রার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক সামনে আসে। বয়স কম হলেও দলের সিনিয়র ক্রিকেটারদের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ তৈরি হচ্ছে। একই সঙ্গে দলের পরিবেশও তাঁকে ধীরে ধীরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের চাপের সঙ্গে মানিয়ে নিতে সাহায্য করছে।

এশিয়ান গেমসে ওপেনার হিসাবে বৈভব

এশিয়ান গেমসে পুরুষদের ক্রিকেটে ভারতীয় দলের হয়ে ওপেনার হিসাবে বৈভবের নাম থাকা ছিল অন্যতম বড় চমক। কারণ দলে ছিলেন অভিষেক শর্মা এবং সঞ্জু স্যামসনের মতো ক্রিকেটার। দু’জনেরই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিজ্ঞতা রয়েছে। তার পরেও ওপেনিংয়ের তালিকায় বৈভবের উপস্থিতি তাঁর প্রতি টিম ম্যানেজমেন্টের আস্থারই ইঙ্গিত দিয়েছে।

শেষ পর্যন্ত এশিয়ান গেমসে ভারত সোনা জেতে। ফাইনালে পাকিস্তানকে হারিয়ে শ্রেয়স আয়ারের নেতৃত্বাধীন দল সাফল্য পায়। এই জয় ভারতীয় ক্রিকেটের জন্য যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনই তরুণ ক্রিকেটারদের জন্যও ছিল বড় অভিজ্ঞতা।

বৈভবের ক্ষেত্রে এশিয়ান গেমস ছিল আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের পরিবেশের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ। দলের সিনিয়রদের সঙ্গে ড্রেসিংরুম ভাগ করে নেওয়া, বড় ম্যাচের চাপ বোঝা এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ক্রিকেটারদের কাছ থেকে শেখার সুযোগ—সবকিছুই তাঁর ভবিষ্যৎ গড়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের বিরুদ্ধে কি অভিষেক হবে?

এখন স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠছে, ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজ়ে কি প্রথম একাদশে জায়গা পাবেন বৈভব?

শ্রেয়সের মন্তব্য শুনলে আপাতত সেই সম্ভাবনা খুব বেশি বলে মনে হচ্ছে না। কারণ ভারতীয় দলের ওপেনিংয়ে রয়েছেন দুই বিশ্বকাপজয়ী ক্রিকেটার। শ্রেয়স স্পষ্ট করে দিয়েছেন, তাঁদের সুযোগ পাওয়া প্রাপ্য।

এখানেই বৈভবের বয়সের কথাও গুরুত্বপূর্ণ। মাত্র ১৫ বছর বয়সে জাতীয় দলের পরিবেশে এসে পড়েছেন তিনি। ফলে তাঁকে নিয়ে তাড়াহুড়ো করতে চাইছে না টিম ম্যানেজমেন্ট। ভবিষ্যতে দীর্ঘ সময় ধরে ভারতীয় ক্রিকেটকে পরিষেবা দেওয়ার মতো অবস্থায় তাঁকে তৈরি করাই সম্ভবত মূল লক্ষ্য।

শ্রেয়সও সেই দিকেই ইঙ্গিত করেছেন। তাঁর মতে, বৈভবের বয়স এখনও মাত্র ১৫। তাঁর সময় এলে তিনি ধারাবাহিক ভাবে সুযোগ পাবেন এবং তখন নিজের দাপট দেখাবেন।

এই বক্তব্য থেকে পরিষ্কার, বৈভবকে নিয়ে ভারতীয় দলের পরিকল্পনা দীর্ঘমেয়াদি। তাঁকে একটি-দু’টি ম্যাচে খেলিয়ে ফলাফল পাওয়ার চেয়ে ধীরে ধীরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের জন্য প্রস্তুত করার দিকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

news image
আরও খবর

কেন বৈভবকে নিয়ে এত প্রত্যাশা?

ভারতীয় ক্রিকেটে প্রতিভাবান তরুণ ক্রিকেটারের অভাব কখনও ছিল না। কিন্তু বৈভবের ক্ষেত্রে বয়স এবং তাঁর ব্যাটিংয়ের ধরন—দুই বিষয়ই তাঁকে আলাদা করে তুলেছে।

মাত্র ১৫ বছর বয়সে বড় মঞ্চে ক্রিকেট খেলার সুযোগ পাওয়া সহজ নয়। তার উপর প্রতিপক্ষের বোলারদের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করার মানসিকতা তাঁকে আলাদা পরিচিতি দিয়েছে।

তবে তরুণ ক্রিকেটারের ক্ষেত্রে প্রতিভার পাশাপাশি ধৈর্যও গুরুত্বপূর্ণ। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রতিটি ম্যাচের চাপ আলাদা। প্রতিপক্ষের পরিকল্পনা, পিচের পরিস্থিতি, ম্যাচের পরিস্থিতি এবং প্রত্যাশার চাপ—সবকিছুর সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার জন্য সময় প্রয়োজন।

এই কারণেই শ্রেয়সের মন্তব্য গুরুত্বপূর্ণ। ভারত অধিনায়ক যেমন বৈভবের প্রতিভা সম্পর্কে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী, তেমনই তাঁর বয়সের কথাও মনে করিয়ে দিয়েছেন। অর্থাৎ এখনই নিয়মিত প্রথম একাদশে জায়গা না পেলেও তাঁর ভবিষ্যৎ নিয়ে ভারতীয় দলের আস্থা রয়েছে।

বিশ্বকাপজয়ী ওপেনারদের সামনে বৈভব

ভারতীয় দলের বর্তমান ওপেনিং বিকল্পগুলির মধ্যে অভিজ্ঞতা এবং সাফল্যের দিক থেকে এগিয়ে রয়েছেন বিশ্বকাপজয়ী ক্রিকেটাররা। তাঁদের জায়গা পাওয়া প্রাপ্য বলেই মনে করেন শ্রেয়স।

ফলে বৈভবের সামনে আপাতত লড়াইটা সরাসরি প্রথম একাদশের জন্য নয়। বরং দলের পরিবেশে থেকে নিজেকে তৈরি করার। সিনিয়র ক্রিকেটারদের সঙ্গে অনুশীলন করা, তাঁদের কাছ থেকে শেখা এবং সুযোগ এলে নিজের সামর্থ্য প্রমাণ করাই হতে পারে তাঁর প্রধান লক্ষ্য।

এমন পরিস্থিতিতে বেঞ্চে থাকাটাও বৈভবের জন্য শিক্ষার অংশ হতে পারে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ড্রেসিংরুমে বসে ম্যাচের পরিস্থিতি দেখা, ব্যাটারদের প্রস্তুতি লক্ষ্য করা এবং বোলারদের পরিকল্পনা বোঝার সুযোগ ভবিষ্যতে তাঁর কাজে আসবে।

সামনে আরও ব্যস্ত সূচি

এশিয়ান গেমসে সোনা জেতার পর ভারতীয় দলের সামনে বিশ্রামের খুব বেশি সময় নেই। মঙ্গলবার থেকেই ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজ়ে নামতে হবে ভারতকে।

একটি বড় প্রতিযোগিতা শেষ হওয়ার পর দ্রুত আরেকটি আন্তর্জাতিক সিরিজ়ে নামা ক্রিকেটারদের জন্য শারীরিক এবং মানসিক ভাবে যথেষ্ট চ্যালেঞ্জের। বিশেষ করে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ম্যাচের গতি অনেক বেশি হওয়ায় প্রস্তুতির গুরুত্বও বেশি।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ় সিরিজ় শেষ হওয়ার পর ভারতীয় দলকে যেতে হবে নিউ জ়িল্যান্ডে। সেখানেও রয়েছে ছোট ফরম্যাটের সিরিজ়। অর্থাৎ পরপর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ব্যস্ততা রয়েছে ভারতীয় দলের সামনে।

এই ব্যস্ত সূচিতে তরুণ ক্রিকেটারদের ব্যবহারের ক্ষেত্রেও টিম ম্যানেজমেন্টকে পরিকল্পনা করে এগোতে হবে। বৈভবের মতো ১৫ বছরের ক্রিকেটারের ক্ষেত্রে সেই পরিকল্পনা আরও গুরুত্বপূর্ণ।

বৈভবের জন্য অপেক্ষা কি আরও বড় সুযোগের?

ওয়েস্ট ইন্ডিজ় সিরিজ়ে যদি বৈভব প্রথম একাদশে না-ও থাকেন, তাতে তাঁর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনও প্রশ্ন ওঠার কারণ নেই। বরং শ্রেয়সের কথাতেই স্পষ্ট, ভারতীয় দল তাঁর মধ্যে ভবিষ্যতের সম্ভাবনা দেখছে।

একজন ১৫ বছরের ক্রিকেটারের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল ধারাবাহিক ভাবে নিজের খেলা উন্নত করা। বয়সের সঙ্গে সঙ্গে ক্রিকেটীয় জ্ঞান এবং ম্যাচ পরিস্থিতি বোঝার ক্ষমতা বাড়বে। অভিজ্ঞতাও জমবে।

শ্রেয়সের কাছ থেকে পাওয়া প্রশংসা সেই পথচলায় বৈভবের আত্মবিশ্বাস আরও বাড়াতে পারে। বিশেষ করে ভারত অধিনায়ক যখন প্রকাশ্যে তাঁর মাঠের বাইরের ব্যক্তিত্বের প্রশংসা করছেন, তখন বোঝা যায় দলের মধ্যে ইতিমধ্যেই তাঁর গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়েছে।

ভারতীয় ক্রিকেটে নতুন প্রজন্মের আগমন

ভারতীয় ক্রিকেটে নতুন প্রজন্মের ক্রিকেটারদের উঠে আসা নতুন কিছু নয়। তবে বৈভবের মতো অল্প বয়সী ক্রিকেটার যখন জাতীয় দলের পরিবেশে ঢুকে পড়েন, তখন স্বাভাবিক ভাবেই তাঁকে ঘিরে প্রত্যাশা তৈরি হয়।

তবে প্রত্যাশার সঙ্গে চাপও আসে। তাই বৈভবের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে সেই চাপ সামলে স্বাভাবিক থাকা। মাঠে যে আগ্রাসন তিনি দেখান, সেটাই তাঁর বড় শক্তি। আর মাঠের বাইরে যে শান্ত স্বভাবের কথা শ্রেয়স জানিয়েছেন, সেটি হয়তো তাঁকে প্রত্যাশার চাপ সামলাতেও সাহায্য করবে।

ভারতীয় দলের সাজঘরে সিনিয়রদের উপস্থিতি এবং শ্রেয়সের মতো অধিনায়কের সমর্থন তাঁর ক্রিকেটীয় বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।

সব মিলিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজ়ে বৈভব প্রথম একাদশে সুযোগ পান কি না, সেটিই এখন কৌতূহলের বিষয়। তবে শ্রেয়সের কথায় একটি বিষয় পরিষ্কার—১৫ বছরের এই তরুণকে নিয়ে ভারতীয় দলের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা যথেষ্ট বড়। এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। বৈভবের সময় এলে তিনি যে নিজের দাপট দেখাবেন, সেই বিশ্বাস ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে ভারতীয় দলের অন্দরমহলে।

Preview image