Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

উৎসবের মরশুমে বাড়ছে উদ্বেগ, ১০ হাজারের দোরগোড়ায় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা

পুজোর মুখেই রাজ্যে ডেঙ্গুর বাড়বাড়ন্তে বাড়ছে উদ্বেগ। স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে খবর, গত কয়েকদিনে উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা। পরিস্থিতি মোকাবিলায় নজরদারি ও সতর্কতা বাড়াচ্ছে প্রশাসন।

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পুজোর দোরগোড়ায় ফের উদ্বেগ বাড়াচ্ছে ডেঙ্গু। বর্ষার মরশুম শেষের দিকে এগোলেও রাজ্যে মশাবাহিত এই রোগের প্রকোপ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। বরং গত কয়েকদিনে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়তে শুরু করায় নতুন করে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে প্রশাসনের কপালে। স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে খবর, রাজ্যে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ইতিমধ্যেই সাড়ে ৯ হাজারের গণ্ডি পার করেছে। ফলে দুর্গাপুজোর আগে ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই বাড়ছে উদ্বেগ।

তবে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লেও পরিস্থিতির একটি দিক কিছুটা স্বস্তি দিচ্ছে প্রশাসনকে। কারণ গত বছরের একই সময়ে রাজ্যে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ছিল প্রায় সাড়ে ১২ হাজার। সেই তুলনায় চলতি বছরে আক্রান্তের সংখ্যা এখনও কিছুটা কম। অর্থাৎ গত বছরের তুলনায় পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহলের একাংশ। কিন্তু আক্রান্তের সংখ্যা যেভাবে দ্রুত বাড়ছে, তাতে পুজোর সময় পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন আশঙ্কা।

ডেঙ্গু মূলত এডিস মশার মাধ্যমে ছড়ায়। বর্ষাকালে জমা জলে এডিস মশার বংশবিস্তার বাড়ে এবং সেই কারণেই এই সময়টায় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ার প্রবণতা দেখা যায়। বৃষ্টি, জল জমে থাকা এবং অনুকূল আবহাওয়া এডিস মশার বংশবিস্তারের জন্য সহায়ক হয়ে ওঠে। ফলে বর্ষার শেষ পর্ব এবং শরতের শুরুতেই ডেঙ্গু সংক্রমণ নিয়ে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি কলকাতা ও শহরতলির বিভিন্ন এলাকাতেও ডেঙ্গু নিয়ে নজরদারি চালানো হচ্ছে। বাড়ি, আবাসন, নির্মীয়মাণ এলাকা, পরিত্যক্ত জমি, নর্দমা কিংবা যেখানে দীর্ঘদিন ধরে জল জমে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে, সেই সমস্ত জায়গায় মশার লার্ভা জন্মানোর আশঙ্কা থাকে। তাই ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে শুধু হাসপাতাল বা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসার ব্যবস্থা করাই যথেষ্ট নয়, পাশাপাশি মশার বংশবিস্তার রোধ করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

পুজোর আগে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা সাড়ে ৯ হাজার ছাড়িয়ে যাওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই স্বাস্থ্য প্রশাসনের নজর এখন পরিস্থিতির দিকে। দুর্গাপুজোর সময়ে সাধারণ মানুষের চলাফেরা বাড়ে। বিভিন্ন পুজোমণ্ডপ, বাজার, শপিং মল, রেস্তরাঁ এবং জনবহুল এলাকায় ভিড়ও কয়েকগুণ বেড়ে যায়। এই সময় জ্বর বা ডেঙ্গুর উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। কারণ ডেঙ্গুতে অনেক সময় সাধারণ ভাইরাল জ্বরের মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। ফলে প্রাথমিক পর্যায়ে অনেকেই বিষয়টিকে সাধারণ জ্বর ভেবে অবহেলা করেন।

ডেঙ্গুর অন্যতম সাধারণ উপসর্গ হল জ্বর। এর সঙ্গে মাথাব্যথা, শরীরের বিভিন্ন অংশে ব্যথা, চোখের পিছনে ব্যথা, দুর্বলতা, বমি বমি ভাব কিংবা শরীরে অস্বস্তি দেখা দিতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে ত্বকে র‍্যাশও দেখা যায়। তবে প্রত্যেক রোগীর ক্ষেত্রে একই ধরনের উপসর্গ দেখা যাবে এমন নয়। তাই জ্বর হলে নিজের মতো করে ওষুধ না খেয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ডেঙ্গু প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হল এডিস মশার বংশবিস্তার বন্ধ করা। এডিস মশা সাধারণত পরিষ্কার জমা জলে ডিম পাড়তে পারে। তাই বাড়ির আশপাশে কোথাও জল জমে রয়েছে কি না, তা নিয়মিত পরীক্ষা করা দরকার। ফুলের টব, পুরনো টায়ার, ভাঙা পাত্র, প্লাস্টিকের কৌটো, ছাদে পড়ে থাকা সামগ্রী কিংবা এমন কোনও জায়গা যেখানে বৃষ্টির জল জমে থাকতে পারে, সেগুলির দিকে নজর দেওয়া প্রয়োজন।

প্রশাসনের তরফেও ডেঙ্গু মোকাবিলায় নানা ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। মশার লার্ভা চিহ্নিত করা, প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে লার্ভিসাইড প্রয়োগ, সচেতনতা প্রচার এবং আক্রান্তদের চিকিৎসার ব্যবস্থা—সব মিলিয়ে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে একাধিক স্তরে কাজ করতে হয়। তবে প্রশাসনিক উদ্যোগের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সচেতনতাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

চলতি বছরে রাজ্যে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা সাড়ে ৯ হাজার ছাড়িয়ে গেলেও গত বছরের তুলনায় তা এখনও কম। গত বছর এই সময় আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় সাড়ে ১২ হাজার ছিল। ফলে পরিসংখ্যানের বিচারে চলতি বছরের পরিস্থিতি কিছুটা ভালো বলেই মনে হচ্ছে। কিন্তু ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা দ্রুত বাড়তে থাকায় আত্মতুষ্টির জায়গা নেই। বিশেষ করে পুজোর সময় আবহাওয়ার পরিবর্তন এবং বিভিন্ন এলাকায় জল জমার পরিস্থিতি ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়াতে পারে।

শহরাঞ্চলে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ একটি বড় চ্যালেঞ্জ। ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় বাড়ি-বাড়ি নজরদারি, ছাদে জমা জল পরীক্ষা এবং নির্মীয়মাণ বাড়িতে জল জমে থাকা রোধ করা জরুরি। পাশাপাশি গ্রামাঞ্চলেও ডেঙ্গু নিয়ে সচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন। শুধু শহরকে কেন্দ্র করে নজরদারি চালালে চলবে না। কারণ মশাবাহিত রোগের সংক্রমণ বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়তে পারে।

কলকাতার মতো জনবহুল শহরে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে পুরসভা এবং স্বাস্থ্য প্রশাসনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত মশার লার্ভা খোঁজা, প্রয়োজনীয় জায়গায় মশা নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করা এবং সাধারণ মানুষকে সচেতন করার কাজ চালিয়ে যেতে হয়। একই সঙ্গে নাগরিকদেরও নিজেদের বাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার রাখা দরকার।

পুজোর মরশুমে ডেঙ্গু নিয়ে আরও সতর্ক হওয়ার কারণ হল, এই সময়ে মানুষ অনেক বেশি সময় বাইরে কাটান। বিভিন্ন পুজোমণ্ডপে ভিড় হয়, রাত পর্যন্ত মানুষের চলাফেরা থাকে এবং অনেকেই এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় যান। জ্বর বা অসুস্থতার উপসর্গ দেখা দিলে তাই দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া উচিত। ডেঙ্গু সন্দেহ হলে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী করানো যেতে পারে।

news image
আরও খবর

ডেঙ্গু নিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন হওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। জ্বর হলেই যে ডেঙ্গু হয়েছে, এমন নয়। আবার জ্বরকে সাধারণ ভাইরাল ইনফেকশন ভেবে দীর্ঘ সময় ফেলে রাখাও ঠিক নয়। বিশেষ করে উচ্চ জ্বরের সঙ্গে অতিরিক্ত দুর্বলতা, বারবার বমি, পেটে ব্যথা, রক্তপাতের মতো কোনও অস্বাভাবিক উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।

ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ার খবর সামনে আসার পর স্বাস্থ্য প্রশাসনের নজরও এখন আক্রান্তদের চিকিৎসা এবং রোগ নিয়ন্ত্রণের দিকে। হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতে জ্বরের রোগীদের বিষয়ে নজরদারি রাখা গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি কোথা থেকে বেশি ডেঙ্গু রোগী পাওয়া যাচ্ছে, কোন এলাকায় সংক্রমণ বেশি, সেই তথ্য বিশ্লেষণ করে স্থানীয় স্তরে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া যায়।

ডেঙ্গুর ক্ষেত্রে সচেতনতার পাশাপাশি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার গুরুত্বও অনেক। বাড়ির ভিতরে এবং বাইরে জল জমে থাকলে তা দ্রুত সরিয়ে ফেলতে হবে। জল রাখার পাত্র ঢেকে রাখা উচিত। দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহার না করা কোনও পাত্র বা সামগ্রী বাইরে পড়ে থাকলে সেটিও সরিয়ে ফেলতে হবে। বাড়ির ছাদ, বারান্দা, বাগান এবং আশপাশের জায়গা নিয়মিত পরিষ্কার রাখা প্রয়োজন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ শুধু সরকারের দায়িত্ব নয়। সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া মশাবাহিত রোগের প্রকোপ দীর্ঘমেয়াদে কমানো কঠিন। একজন নাগরিক নিজের বাড়ির আশপাশে জল জমতে না দিলে এবং প্রতিবেশীদেরও একই বিষয়ে সচেতন করলে সামগ্রিকভাবে মশার বংশবিস্তার অনেকটাই কমানো সম্ভব।

পুজোর আগে ডেঙ্গুর এই পরিসংখ্যান তাই প্রশাসন এবং সাধারণ মানুষ—উভয়ের কাছেই সতর্কবার্তা। গত বছরের তুলনায় আক্রান্তের সংখ্যা কম থাকলেও চলতি বছরে সাড়ে ৯ হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। ফলে পরিস্থিতিকে হালকা করে দেখার সুযোগ নেই। আগামী দিনগুলিতে আক্রান্তের সংখ্যা আরও বাড়ে কি না, নাকি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসে, সেদিকেই নজর থাকবে।

ডেঙ্গু নিয়ে সচেতনতার ক্ষেত্রে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল মশার কামড় থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখা। দিনের বেলাতেও সতর্ক থাকা প্রয়োজন, কারণ এডিস মশা সাধারণত দিনের সময় সক্রিয় থাকে। বাইরে বেরনোর সময় শরীরের বেশিরভাগ অংশ ঢাকা পোশাক পরা, প্রয়োজন অনুযায়ী মশা প্রতিরোধক ব্যবহার করা এবং বাড়ির দরজা-জানালা দিয়ে মশার প্রবেশ কমানোর ব্যবস্থা করা যেতে পারে।

শিশু, প্রবীণ এবং যাঁদের শারীরিকভাবে দুর্বলতা রয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রে জ্বর বা অসুস্থতার কোনও উপসর্গ দেখা দিলে বিশেষ নজর দেওয়া প্রয়োজন। তবে কারও ক্ষেত্রেই নিজের মতো করে চিকিৎসা শুরু করা উচিত নয়। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পরীক্ষা এবং চিকিৎসা করানোই নিরাপদ পথ।

পশ্চিমবঙ্গে প্রতি বছরই বর্ষার সময় ডেঙ্গু নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। কখনও আক্রান্তের সংখ্যা দ্রুত বাড়ে, আবার কখনও প্রশাসনিক তৎপরতা ও আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। চলতি বছরও সেই একই প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। প্রথম দিকে পরিস্থিতি তুলনামূলকভাবে নিয়ন্ত্রণে থাকলেও এখন আক্রান্তের সংখ্যা দ্রুত বাড়তে শুরু করেছে।

পুজোর আগে ডেঙ্গুর এই বৃদ্ধি তাই প্রশাসনের কাছে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিপুল মানুষের সমাগম হয়। এই সময় রোগের উপসর্গ দেখা দিলে যাতে দ্রুত চিকিৎসা পাওয়া যায়, সে বিষয়ে স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে প্রস্তুত রাখা জরুরি। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষকে জ্বরের বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।

সব মিলিয়ে, রাজ্যে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা সাড়ে ৯ হাজার পার করেছে। গত বছরের একই সময়ে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় সাড়ে ১২ হাজার হওয়ায় তুলনামূলকভাবে চলতি বছরের পরিসংখ্যান কিছুটা স্বস্তি দিচ্ছে। কিন্তু গত কয়েকদিনে আক্রান্তের সংখ্যা যে হারে বাড়ছে, তা নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। পুজোর আগে ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসনিক নজরদারি এবং সাধারণ মানুষের সচেতনতা—দুই-ই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তাই উৎসবের মরশুমে আনন্দের পাশাপাশি ডেঙ্গু প্রতিরোধের বিষয়েও সতর্ক থাকা প্রয়োজন। বাড়ির আশপাশে জল জমতে না দেওয়া, মশার বংশবিস্তার রোধ করা, মশার কামড় থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখা এবং জ্বর হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া—এই কয়েকটি সাধারণ সতর্কতা ডেঙ্গুর ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে। স্বাস্থ্যদপ্তরের পরিসংখ্যান বলছে, পরিস্থিতি এখনও গত বছরের তুলনায় ভালো হলেও আক্রান্তের সংখ্যা সাড়ে ৯ হাজার পার করায় নজরদারি আরও জোরদার করা প্রয়োজন।

পুজোর দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, আগামী কয়েক সপ্তাহে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়। গত বছরের তুলনায় কম আক্রান্তের সংখ্যা নিঃসন্দেহে কিছুটা স্বস্তির খবর। কিন্তু সংক্রমণের সাম্প্রতিক ঊর্ধ্বগতি দেখিয়ে দিচ্ছে, এখনই অসতর্ক হওয়ার সময় নয়। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের পদক্ষেপের পাশাপাশি নাগরিক সচেতনতাই হয়ে উঠতে পারে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার।

Preview image