দুর্গাপুজোর ষষ্ঠীতে সোনার দামে কি কোনও পরিবর্তন হল পুজোর মরসুমে গয়না কেনার আগে আজকের সোনার দাম ২২ ও ২৪ ক্যারেট সোনার দর এবং দাম কমলে কেনাকাটায় কতটা সাশ্রয় হতে পারে তা জেনে নিন এই প্রতিবেদনে
দুর্গাপুজোর মরশুমে সোনা কেনার পরিকল্পনা করেন বহু মানুষ। কারও লক্ষ্য পুজোর জন্য নতুন গয়না কেনা, আবার কেউ ভবিষ্যতের কথা ভেবে সোনায় বিনিয়োগ করতে চান। উৎসবের সময়ে সোনার দামের ওঠানামা তাই ক্রেতাদের কাছে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। ষষ্ঠীর আগে বা পুজোর কেনাকাটার সময়ে সোনার দাম কমলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে এখনই কি গয়না কেনার উপযুক্ত সময়, নাকি আরও কিছুদিন অপেক্ষা করা উচিত ১৬ অক্টোবর ২০২৬-এর কলকাতার প্রকাশিত বাজারদর অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট সোনার দাম প্রতি গ্রামে প্রায় ১৩,৫১৫ টাকা এবং ২৪ ক্যারেট সোনার দাম প্রতি গ্রামে প্রায় ১৪,৭৪৪ টাকা। অর্থাৎ ১০ গ্রাম ২২ ক্যারেট সোনার দাম প্রায় ১,৩৫,১৫০ টাকা এবং ১০ গ্রাম ২৪ ক্যারেট সোনার দাম প্রায় ১,৪৭,৪৪০ টাকা। এই দরগুলি নির্দেশক বাজারদর; বিভিন্ন বিক্রেতা ও মূল্যতালিকায় সামান্য পার্থক্য থাকতে পারে। পুজোর কেনাকাটার আগে সোনার ক্যারেট অনুযায়ী দাম জেনে নেওয়া জরুরি। ২২ ক্যারেট সোনা সাধারণত গয়না তৈরিতে বেশি ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে, ২৪ ক্যারেট সোনা বেশি বিশুদ্ধ এবং সাধারণত বিনিয়োগের বার বা কয়েনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। ১৬ অক্টোবরের প্রকাশিত কলকাতার দর অনুযায়ী আনুমানিক দাম
২২ ক্যারেট সোনা প্রতি গ্রাম ১৩,৫১৫ টাকা।
২২ ক্যারেট সোনা প্রতি ১০ গ্রাম ১,৩৫,১৫০ টাকা।
২৪ ক্যারেট সোনা প্রতি গ্রাম ১৪,৭৪৪ টাকা।
২৪ ক্যারেট সোনা: প্রতি ১০ গ্রাম ১,৪৭,৪৪০ টাকা।
এই দামগুলিতে গয়নার মজুরি, প্রযোজ্য GST এবং অন্যান্য অতিরিক্ত খরচ অন্তর্ভুক্ত নয়। ফলে দোকানে গয়না কিনতে গেলে চূড়ান্ত বিল আরও বেশি হতে পারে। সাম্প্রতিক দিনগুলিতে কলকাতার বাজারে সোনার দামে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গিয়েছে। Goodreturns-এর প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ১৩ অক্টোবর ২২ ক্যারেট সোনার দাম ছিল প্রতি গ্রামে ১৩,৬৮৫ টাকা এবং ২৪ ক্যারেট সোনার দাম ছিল ১৪,৯২৯ টাকা। ১৬ অক্টোবর সেই দর যথাক্রমে ১৩,৫১৫ টাকা ও ১৪,৭৪৪ টাকায় পৌঁছয়। অর্থাৎ এই সময়ের মধ্যে দুই ধরনের সোনার দামই কমেছে। তবে প্রতিদিনই যে দাম কমবে, এমন কোনও নিশ্চয়তা নেই। আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দর, ডলারের তুলনায় টাকার মূল্য, বিনিয়োগকারীদের চাহিদা এবং অন্যান্য অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কারণে সোনার দাম দ্রুত বদলাতে পারে। সোনার দাম কমার ফলে গয়না কেনার খরচ কতটা কমবে, তা বোঝার জন্য আগের দাম ও বর্তমান দামের পার্থক্য হিসাব করা যায়। ১৩ অক্টোবর থেকে ১৬ অক্টোবরের প্রকাশিত দর ধরে ২২ ক্যারেট সোনার দাম প্রতি গ্রামে ১৭০ টাকা কমেছে। সেই হিসাবে ১০ গ্রাম সোনার মূল দামে প্রায় ১,৭০০ টাকা সাশ্রয় হতে পারে। একই সময়ে ২৪ ক্যারেট সোনার দাম প্রতি গ্রামে ১৮৫ টাকা কমেছে, অর্থাৎ ১০ গ্রামে প্রায় ১,৮৫০ টাকা কম। এই হিসাব শুধু সোনার মূল দামের পার্থক্য দেখায়। গয়নার মজুরি, GST এবং অন্যান্য খরচ যোগ করলে চূড়ান্ত সাশ্রয়ের অঙ্ক আলাদা হতে পারে। পুজোর সময়ে সোনার গয়না কেনার আগে শুধু বাজারদর দেখলেই হবে না। আরও কয়েকটি বিষয় খেয়াল রাখা প্রয়োজন।
১. হলমার্ক পরীক্ষা করুন গয়নার বিশুদ্ধতা যাচাই করতে BIS হলমার্ক ও HUID-সংক্রান্ত তথ্য পরীক্ষা করুন।
২. মজুরির হিসাব বুঝুন একই ওজনের গয়নার মজুরি ডিজাইন ও দোকানভেদে আলাদা হতে পারে। কেনার আগে মজুরি কত এবং কীভাবে হিসাব করা হচ্ছে, তা জেনে নিন।
৩. GST-সহ চূড়ান্ত বিল দেখুন শুধু প্রতি গ্রামের দাম নয়, কর ও অন্যান্য খরচ-সহ মোট কত টাকা দিতে হবে, তা বুঝে নিন।
৪. একাধিক দোকানের দর তুলনা করুন একই দিনের সোনার মূল দাম কাছাকাছি হলেও মজুরি ও অন্যান্য খরচের কারণে মোট বিলের পার্থক্য হতে পারে।
৫. বাজেট ঠিক করে কিনুন উৎসবের আনন্দে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি খরচ না করে নিজের বাজেট অনুযায়ী গয়না কেনা ভালো।
সোনার দাম কমলে ক্রেতারা তুলনামূলক কম দামে গয়না কেনার সুযোগ পেতে পারেন। তবে আগামী দিনে দাম আরও কমবে, নাকি আবার বাড়বে, তা নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়। যাঁদের পুজোর জন্য গয়না কেনা প্রয়োজন, তাঁরা বর্তমান দর, মজুরি এবং নিজের বাজেট তুলনা করে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। অন্যদিকে শুধুমাত্র স্বল্পমেয়াদে দাম বাড়বে বা কমবে এই অনুমানের ভিত্তিতে বিনিয়োগ করা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। সোনায় বিনিয়োগের উদ্দেশ্য থাকলে গয়নার মজুরি ও পুনর্বিক্রয়ের বিষয়টিও বিবেচনা করা উচিত। কারণ গয়না কেনার সময় দেওয়া সমস্ত অতিরিক্ত খরচ বিক্রির সময়ে ফেরত পাওয়া যায় না। দুর্গাপুজোর মরশুমে সোনার দামের ওঠানামা ক্রেতাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ১৬ অক্টোবর ২০২৬-এর প্রকাশিত কলকাতার দর অনুযায়ী ২২ ক্যারেট সোনার দাম প্রতি ১০ গ্রামে প্রায় ১,৩৫,১৫০ টাকা এবং ২৪ ক্যারেট সোনার দাম প্রায় ১,৪৭,৪৪০ টাকা। সাম্প্রতিক কয়েক দিনে দাম কমার প্রবণতা দেখা গেলেও ভবিষ্যতে সোনার দাম কোন দিকে যাবে, তা নিশ্চিত নয়। তাই পুজোর কেনাকাটার আগে দিনের সর্বশেষ দর যাচাই করুন, হলমার্ক পরীক্ষা করুন এবং মজুরি ও GST-সহ চূড়ান্ত দাম বুঝে নিন। বাজারদরের সঙ্গে নিজের বাজেটের তুলনা করে সিদ্ধান্ত নিলেই উৎসবের কেনাকাটা আরও পরিকল্পিত হতে পারে।
দুর্গাপুজোর মরশুমে সোনার গয়না কেনার পরিকল্পনা করেন বহু মানুষ। বিশেষ করে ষষ্ঠী থেকে শুরু করে পুজোর বিভিন্ন দিনে গয়নার দোকানে ক্রেতাদের ভিড় বাড়ে। এই সময়ে সোনার দামের সামান্য ওঠানামাও কেনাকাটার বাজেটে প্রভাব ফেলতে পারে। তাই গয়না কেনার আগে ২২ ও ২৪ ক্যারেট সোনার বর্তমান দাম, মজুরি, GST এবং অন্যান্য খরচ সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখা জরুরি। সোনার দাম কমলে ক্রেতারা তুলনামূলক কম দামে গয়না কেনার সুযোগ পেতে পারেন। তবে আগামী দিনে দাম আরও কমবে, নাকি আবার বাড়বে, তা নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়। আন্তর্জাতিক বাজারের পরিস্থিতি, বিনিয়োগকারীদের চাহিদা, ডলারের তুলনায় টাকার মূল্য এবং অন্যান্য অর্থনৈতিক কারণ সোনার দামের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। সোনা কেনার আগে ২২ ক্যারেট ও ২৪ ক্যারেটের মধ্যে পার্থক্য জানা প্রয়োজন। ২২ ক্যারেট সোনায় অন্যান্য ধাতু মিশিয়ে গয়না তৈরি করা হয়, ফলে এটি গয়না তৈরির জন্য উপযোগী। অন্যদিকে, ২৪ ক্যারেট সোনা অধিক বিশুদ্ধ এবং সাধারণত সোনার বার বা কয়েনের মতো বিনিয়োগের পণ্যে ব্যবহৃত হয়। ১৬ অক্টোবর ২০২৬-এর প্রকাশিত কলকাতার দর অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট সোনার দাম প্রতি ১০ গ্রামে প্রায় ১,৩৫,১৫০ টাকা এবং ২৪ ক্যারেট সোনার দাম প্রতি ১০ গ্রামে প্রায় ১,৪৭,৪৪০ টাকা। তবে এগুলি নির্দেশক বাজারদর। দোকান, বিক্রেতা এবং মূল্যতালিকা অনুযায়ী দামের পার্থক্য থাকতে পারে। গয়না কেনার সময় মজুরি ও প্রযোজ্য GST যোগ হওয়ায় চূড়ান্ত খরচও বাড়তে পারে। সোনার দাম কমার ফলে কত টাকা সাশ্রয় হতে পারে, তা বোঝার জন্য আগের দিনের সঙ্গে বর্তমান দামের তুলনা করা যেতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, প্রতি গ্রাম সোনার দাম ১০০ টাকা কমলে ১০ গ্রাম সোনার মূল দামে ১,০০০ টাকা সাশ্রয় হতে পারে। তবে গয়নার চূড়ান্ত বিলে এই সাশ্রয়ের পরিমাণ মজুরি ও করের কারণে আলাদা হতে পারে। তাই শুধু সোনার প্রতি গ্রামের দাম দেখে সিদ্ধান্ত না নিয়ে মোট বিলের হিসাব করা উচিত। একই ওজনের গয়না বিভিন্ন দোকানে কিনতে গেলে মজুরির পার্থক্যের কারণে খরচও আলাদা হতে পারে। যাঁদের দুর্গাপুজোর জন্য গয়না কেনা প্রয়োজন, তাঁরা বর্তমান বাজারদর, গয়নার নকশা, মজুরি এবং নিজের বাজেট তুলনা করে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। শুধুমাত্র ভবিষ্যতে দাম আরও কমবে এই আশায় অপেক্ষা করলে উল্টে দাম বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও থাকে। অন্যদিকে, শুধুমাত্র স্বল্পমেয়াদে দাম বাড়বে বা কমবে, এই অনুমানের ভিত্তিতে বিনিয়োগ করা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। সোনায় বিনিয়োগের পরিকল্পনা থাকলে নিজের আর্থিক লক্ষ্য, বিনিয়োগের সময়সীমা এবং ঝুঁকি নেওয়ার ক্ষমতা বিবেচনা করা প্রয়োজন। প্রথমত গয়নার বিশুদ্ধতা যাচাই করতে BIS হলমার্ক ও HUID-সংক্রান্ত তথ্য পরীক্ষা করুন। দ্বিতীয়ত, মজুরি কীভাবে হিসাব করা হচ্ছে, তা বিক্রেতার কাছ থেকে জেনে নিন। তৃতীয়ত GST-সহ চূড়ান্ত বিল বুঝে নিন। একই সঙ্গে গয়না ভবিষ্যতে বিক্রি করতে হলে কী ধরনের কাটছাঁট বা অন্যান্য শর্ত প্রযোজ্য হতে পারে, সেটিও জেনে রাখা ভালো। মনে রাখতে হবে, গয়না কেনার সময় দেওয়া সমস্ত অতিরিক্ত খরচ পুনর্বিক্রয়ের সময় ফেরত পাওয়া যায় না। ফলে সোনাকে শুধু গয়না হিসেবে কেনা এবং বিনিয়োগের উদ্দেশ্যে কেনার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। দুর্গাপুজোর মরশুমে সোনার দামের ওঠানামা ক্রেতাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ১৬ অক্টোবর ২০২৬-এর প্রকাশিত কলকাতার দর অনুযায়ী ২২ ক্যারেট সোনার দাম প্রতি ১০ গ্রামে প্রায় ১,৩৫,১৫০ টাকা এবং ২৪ ক্যারেট সোনার দাম প্রায় ১,৪৭,৪৪০ টাকা। সাম্প্রতিক কয়েক দিনে দাম কমার প্রবণতা দেখা গেলেও ভবিষ্যতে সোনার দাম কোন দিকে যাবে, তা নিশ্চিতভাবে বলা যায় না। তাই পুজোর কেনাকাটার আগে দিনের সর্বশেষ দর যাচাই করুন, হলমার্ক পরীক্ষা করুন এবং মজুরি ও GST-সহ চূড়ান্ত দাম বুঝে নিন। বাজারদরের সঙ্গে নিজের বাজেটের তুলনা করে সিদ্ধান্ত নিলে অপ্রয়োজনীয় খরচ এড়ানো এবং পরিকল্পিতভাবে সোনা কেনা সহজ হবে।