Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

দিনে ৫০০০ বলের সাধনা, ১৯ বছরেই ১২৫ শতরান স্টেশনের মেঝে থেকে বাঙালি গর্বের উত্থান

অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপে ভারতীয় ব্যাটারদের মধ্যে সবচেয়ে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন অভিজ্ঞান কুন্ডু বাঙালি এই তরুণ ক্রিকেটারের সাফল্যের নেপথ্যে রয়েছেন কিংবদন্তি কোচ রমাকান্ত আচরেকরের শিষ্য চেতন যাদব যাঁর হাত ধরেই গড়ে উঠেছে তাঁর টেকনিক ও মানসিক দৃঢ়তা

ছোট্ট অভিজ্ঞান এক মুহূর্তের জন্যও স্থির থাকতে পারত না। ঘরের চার দেওয়াল তার কাছে ছিল যেন এক বন্দিশালা। ঘরে থাকলে সারাদিন ছুটে বেড়াত, আর বাইরে গেলেই হাতে ব্যাট—ক্রিকেটই ছিল তার একমাত্র আশ্রয়। সকাল থেকে দুপুর, দুপুর থেকে সন্ধ্যা—সময় কখন গড়িয়ে যেত, তার খেয়াল থাকত না। চোখে ঘুম ছিল না, শরীর ক্লান্ত হলেও মন ছুটে চলত ব্যাট-বলের পেছনে। ছেলে যাতে অন্তত রাতে শান্তিতে ঘুমোতে পারে, সেই একটাই আশা নিয়ে বাবা অভিষেক কুন্ডু এক দিন তাকে নিয়ে যান নবি মুম্বইয়ের চেতন যাদবের ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে। সেখান থেকেই শুরু এক ব্যতিক্রমী যাত্রা। বাকিটা আজ ইতিহাস।

আজ সেই অভিজ্ঞান কুন্ডু ১৯ বছর বয়সের মধ্যেই ১২৫টি শতরানের মালিক। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ভারতীয় ব্যাটারদের মধ্যে সবচেয়ে ধারাবাহিক নাম। কিন্তু এই সাফল্যের গল্প শুধুই রান, শতরান আর পরিসংখ্যানের নয়। এই গল্প আত্মসংযম, ত্যাগ, মানসিক দৃঢ়তা আর জীবনের কঠিন পাঠ নেওয়ার।

ক্রিকেটের আগে জীবন

চেতন যাদব প্রথম দিনেই বুঝে গিয়েছিলেন, এই ছেলেকে শুধু ক্রিকেটের টেকনিক শেখালে চলবে না। তার জীবনের পাঠ প্রয়োজন। অভিজ্ঞান স্বচ্ছল পরিবারের সন্তান—বাবা ইঞ্জিনিয়ার, মা চিকিৎসক। জীবনের মৌলিক কোনও অভাব কখনও ছিল না। কিন্তু চেতন চেয়েছিলেন, অভিজ্ঞান যেন বাস্তব জীবনের কঠিন দিকগুলিও কাছ থেকে দেখে।

তাই কখনও কখনও তাঁকে নিয়ে যেতেন লোকাল ট্রেনের অসংরক্ষিত কামরায়। রাতে ঘুমোতে হত স্টেশনের মেঝেতে। আর্থিক ভাবে পিছিয়ে থাকা অন্য ছেলেদের সঙ্গে খাবার ভাগ করে নিতে হত তাকে। বিলাসিতা নয়, সহমর্মিতা—এই শিক্ষাই চেতন দিতে চেয়েছিলেন।

বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ম্যাচজয়ী ৮০ রান করার পর চেতন বলেছিলেন,
“শুধু ক্রিকেট শেখালে হত না। ওকে জীবনের পাঠ নিতে হত। সেটাই দেওয়ার চেষ্টা করেছি।”

পরিসংখ্যানের পাহাড়, পরিশ্রমের সাক্ষ্য

নবি মুম্বইয়ের চেতন যাদব ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে আজও সংরক্ষিত রয়েছে অভিজ্ঞানের পুরো ক্রিকেটীয় ইতিহাস। পাতার পর পাতা খাতায় লেখা রয়েছে প্রতিটি শতরান, অর্ধশতরানের হিসাব। শুধু ব্যাটিং ফুটেজই রয়েছে প্রায় ৬০০০ জিবি মেমরিতে। সেই ফুটেজ আজও দেখিয়ে কোচ বোঝান—কোথায় ভুল, কোথায় উন্নতির জায়গা।

চেতন নিজে রমাকান্ত আচরেকর–এর ছাত্র। আর সেই গুরুপরম্পরার ছাপ স্পষ্ট তাঁর প্রশিক্ষণ পদ্ধতিতে। প্রতিদিন ৫০০০ বল খেলা বাধ্যতামূলক। সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা—একটানা অনুশীলন। শারীরিক সক্ষমতার পাশাপাশি মানসিক দৃঢ়তাও গড়ে তোলাই ছিল লক্ষ্য।

কোচ খুশি নন, কারণ প্রত্যাশা আরও বড়

সংযুক্ত আরব আমিরশাহি ও বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অর্ধশতরান করেছেন অভিজ্ঞান। তবু পুরোপুরি সন্তুষ্ট নন চেতন। কারণ একটাই—স্ট্রাইক রেট। তাঁর মতে, অভিজ্ঞান অনেক মন্থর ব্যাট করেছে।

চেতন বলেন,
“১৩ বছর বয়সে ও দুটো চারশো আর দুটো তিনশো করেছিল। ১৪ বছরের মধ্যে ১০০টা শতরান হয়ে গিয়েছিল। ৯৪ বলে ৩২০ রান করা ব্যাটারকে বিশ্বকাপে এমন খেলতে দেখে অবাক লাগছিল।”

গত মাসে অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপেও মালয়েশিয়ার বিরুদ্ধে ১২৫ বলে ২০৯ রান করেছিলেন অভিজ্ঞান। কোচের মোবাইলে রয়েছে তাঁর শতাধিক শতরানের ভিডিও। তবু চেতন মনে করেন, এখন অভিজ্ঞান দায়িত্ব নিয়ে খেলছে—দলের প্রয়োজনে নিজেকে সংযত করছে।

শৈশব থেকেই রানখিদে

অভিজ্ঞান প্রথম শতরান করে মাত্র ১০ বছর বয়সে। আজ সেই সংখ্যা ১২৫। ১৩ বছরের মধ্যেই তাঁর রান ছিল প্রায় ২৯,০০০। তার মধ্যে ২৭টি শতরান, ১২৭টি অর্ধশতরান। দু’বার ৪০০, দু’বার ৩০০ এবং ন’বার ২০০-র বেশি রান করেছেন তিনি।

অভিনাশ সালভি ফাউন্ডেশন থেকে শুরু করে ডিওয়াই স্পোর্টস অ্যাকাডেমি—এক ধাপ এক ধাপ করে এগিয়েছেন অভিজ্ঞান। দক্ষিণ মুম্বইয়ে স্কুল বদলের পর স্কুল ক্রিকেটেও নজর কাড়েন। সেখানেই তাঁর খেলা চোখে পড়ে ভারতের প্রাক্তন পেসার আবে কুরুভিল্লার।

উইকেটরক্ষক ব্যাটার হিসেবে অনন্য

অভিজ্ঞান শুধু ব্যাটার নন, দলের নির্ভরযোগ্য উইকেটরক্ষকও। চেতন জানান, তাঁর অ্যাকাডেমিতে আসার পর থেকে এখনও পর্যন্ত অভিজ্ঞান ৭২২টি ম্যাচ খেলেছে। তার মধ্যে প্রায় ৬০০ ম্যাচে সে কিপিং করেছে। এখানেই বোঝা যায় তার ফিটনেস ও মানসিক শক্তির স্তর।

বাবা-মায়ের নীরব সমর্থন

চেতন স্পষ্ট জানিয়ে দেন, যেসব বাবা-মা সন্তানের খেলায় অতিরিক্ত নাক গলান, তিনি তাঁদের সন্তানদের কোচিং করান না। অভিজ্ঞানের বাবা-মা সেই শর্ত মেনেছেন। তাঁরা খেলায় হস্তক্ষেপ করেননি। তাঁদের একমাত্র চিন্তা ছিল পড়াশোনা।

খেলার ব্যস্ততার মাঝেও দশম শ্রেণিতে অভিজ্ঞান পেয়েছেন ৮২ শতাংশ নম্বর। বর্তমানে বিজ্ঞান নিয়ে পড়ছেন। বিশ্বকাপের মাঝেও সুযোগ পেলে বই খুলছেন। কারণ সামনে দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা।

চেতন আত্মবিশ্বাসী,
“বিজ্ঞান কঠিন। কিন্তু আমি জানি, ও এখানেও ভাল করবে।”

শুরু মাত্র, পথ অনেক বাকি

এই মুহূর্তে ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ভরসাযোগ্য ক্রিকেটার অভিজ্ঞান কুন্ডু। কিন্তু তাঁর কেরিয়ার এখনও শুরুই হয়নি। পথ অনেক বাকি। তা জানেন কোচও।

তবু বিশ্বাস অটুট। কারণ এই ছেলেকে শুধু ক্রিকেটার হিসেবে নয়, মানুষ হিসেবেও গড়ে তোলা হয়েছে। স্টেশনের মেঝে থেকে বিশ্বকাপের আলো—এই যাত্রা সহজ নয়। আর তাই অভিজ্ঞানের গল্প শুধুই ক্রিকেটের নয়, জীবনেরও।

শৈশব থেকেই রানখিদে

শৈশব থেকেই রান যেন অভিজ্ঞানের নেশা। ব্যাট হাতে নামলেই তাঁর চোখে থাকত এক অদ্ভুত ক্ষুধা—আরও রান, আরও সময় ক্রিজে থাকার। মাত্র ১০ বছর বয়সে প্রথম শতরান করে সে। সেই শুরু। আজ ১৯ বছর বয়সের আগেই শতরানের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২৫-এ। সংখ্যাটা শুধু বিস্ময়কর নয়, ভারতীয় বয়সভিত্তিক ক্রিকেটে বিরল।

১৩ বছরের মধ্যেই তাঁর মোট রান ছিল প্রায় ২৯,০০০। এই রান কোনও এক বা দু’টি মরসুমে নয়—বছরের পর বছর ধরে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের ফল। এই রানের মধ্যে রয়েছে ২৭টি শতরান, ১২৭টি অর্ধশতরান। দু’বার ৪০০ রান, দু’বার ৩০০ রান এবং ন’বার ২০০-র বেশি রানের ইনিংস। এই পরিসংখ্যান শুধু প্রতিভার প্রমাণ নয়, বরং একটানা মনোসংযোগ আর শারীরিক সক্ষমতারও সাক্ষ্য।

news image
আরও খবর

চেতন যাদবের মতে, “রান করার ক্ষমতা অনেকেরই থাকে। কিন্তু দিনের পর দিন একই মানসিকতা নিয়ে ব্যাট করতে পারা খুব কম ছেলের পক্ষেই সম্ভব। অভিজ্ঞান সেই বিরল ব্যাটারদের একজন।”

একাডেমি থেকে একাডেমি—ধাপে ধাপে এগোনো

অভিজ্ঞানের ক্রিকেট যাত্রা কোনও শর্টকাটে হয়নি। অভিনাশ সালভি ফাউন্ডেশন থেকে শুরু করে ডিওয়াই স্পোর্টস অ্যাকাডেমি—এক ধাপ এক ধাপ করেই এগিয়েছেন তিনি। প্রতিটি স্তরে নিজেকে প্রমাণ করেছেন, আবার নিজেকে ভেঙেও গড়েছেন।

দক্ষিণ মুম্বইয়ে স্কুল বদলের পর তাঁর স্কুল ক্রিকেটের কেরিয়ার নতুন গতি পায়। স্কুল পর্যায়ের ম্যাচগুলোতেই বড় বড় ইনিংস খেলতে শুরু করেন অভিজ্ঞান। বয়সের তুলনায় অনেক বেশি পরিণত ব্যাটিং দেখে কোচ, নির্বাচক ও প্রাক্তন ক্রিকেটারদের নজর কাড়েন তিনি।

এই পর্যায়েই তাঁর খেলা চোখে পড়ে ভারতের প্রাক্তন পেসার আবে কুরুভিল্লা-র। কুরুভিল্লা বুঝে যান, এই ছেলের মধ্যে শুধু বয়সভিত্তিক ক্রিকেটে ভালো করার নয়, ভবিষ্যতের বড় ক্রিকেটার হওয়ার সব রসদ রয়েছে।

উইকেটরক্ষক ব্যাটার হিসেবে অনন্য

অভিজ্ঞানকে আলাদা করে চিনিয়ে দেয় তাঁর বহুমুখিতা। তিনি শুধু ব্যাটার নন, দলের নির্ভরযোগ্য উইকেটরক্ষকও। আধুনিক ক্রিকেটে এই দ্বৈত ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর সেই জায়গাতেই অভিজ্ঞান অন্যদের থেকে এগিয়ে।

চেতন যাদব জানান, তাঁর অ্যাকাডেমিতে আসার পর থেকে এখনও পর্যন্ত অভিজ্ঞান ৭২২টি ম্যাচ খেলেছে। তার মধ্যে প্রায় ৬০০ ম্যাচেই সে উইকেটকিপিং করেছে। দিনের পর দিন কিপিং করার পর আবার ওপেনিং বা টপ অর্ডারে ব্যাট করা—এই কাজটা শারীরিক ও মানসিক ভাবে অত্যন্ত কঠিন।

চেতন বলেন, “কিপিং করলে পায়ের উপর, হাঁটুর উপর প্রচণ্ড চাপ পড়ে। তার পর ব্যাট করতে নামতে হলে ফিটনেস না থাকলে সম্ভব নয়। এখানেই ও আলাদা।”

এই কারণেই অনূর্ধ্ব-১৯ দলের মধ্যেও অভিজ্ঞানকে শুধু ব্যাটার হিসেবে নয়, একজন সম্পূর্ণ ক্রিকেটার হিসেবে দেখা হয়।

বাবা-মায়ের নীরব সমর্থন

অভিজ্ঞানের সাফল্যের নেপথ্যে তাঁর বাবা-মায়ের ভূমিকা নীরব হলেও অত্যন্ত দৃঢ়। চেতন যাদব শুরুতেই একটি শর্ত দিয়েছিলেন—অনুশীলন বা খেলায় বাবা-মায়ের হস্তক্ষেপ চলবে না। মুম্বইয়ে বহু প্রতিভাবান ছেলে শুধু এই কারণেই পিছিয়ে পড়ে, কারণ বাবা-মায়ের অতিরিক্ত চাপ ও নির্দেশে তারা নিজের স্বাভাবিক খেলাটা হারিয়ে ফেলে।

অভিজ্ঞানের বাবা-মা সেই শর্ত মেনে নিয়েছেন। তাঁরা কখনও মাঠে গিয়ে নির্দেশ দেননি, কখনও কোচিংয়ে নাক গলাননি। তাঁদের একমাত্র চিন্তা ছিল ছেলের পড়াশোনা।

খেলার ব্যস্ততার মাঝেও অভিজ্ঞান দশম শ্রেণির পরীক্ষায় পেয়েছেন ৮২ শতাংশ নম্বর। বর্তমানে তিনি বিজ্ঞান বিভাগে পড়ছেন। বিশ্বকাপের মাঝেও সুযোগ পেলেই বই খুলে বসছেন। কারণ সামনে দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা।

চেতন আত্মবিশ্বাসী হয়ে বলেন,
“বিজ্ঞান কঠিন বিষয়। কিন্তু আমি জানি, ও এখানেও ভাল করবে। ও যেটা হাতে নেয়, সেটাকে গুরুত্ব দিয়ে করে।”

দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ের নতুন অধ্যায়

বিশ্বকাপে অভিজ্ঞানের ব্যাটিং নিয়ে একটি বিষয় বারবার উঠে এসেছে—স্ট্রাইক রেট। আগের মতো বিধ্বংসী নয়, বরং অনেক বেশি দায়িত্বশীল। কোচ চেতন প্রথমে খুশি না হলেও পরে এর কারণ বুঝতে পেরেছেন।

চেতন বলেন, “ও এখন শুধু নিজের রান দেখছে না। দলের পরিস্থিতি বুঝে খেলছে। এই মানসিকতা বড় ক্রিকেটারের লক্ষণ।”

এই পরিবর্তনই দেখাচ্ছে, অভিজ্ঞান ধীরে ধীরে বয়সভিত্তিক ক্রিকেট থেকে পরবর্তী স্তরের জন্য নিজেকে তৈরি করছে। যেখানে শুধু বড় ইনিংস নয়, ম্যাচ জেতানো ইনিংসই আসল।

শুরু মাত্র, পথ অনেক বাকি

এই মুহূর্তে ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ভরসাযোগ্য ক্রিকেটার অভিজ্ঞান কুন্ডু। কিন্তু তাঁর কেরিয়ার এখনও শুরুই হয়নি। সামনে রয়েছে আরও বড় চ্যালেঞ্জ—ঘরোয়া ক্রিকেট, তারপর জাতীয় দলের দরজা।

এই পথ যে সহজ নয়, তা ভাল করেই জানেন চেতন যাদব। তবু ছাত্রের উপর তাঁর বিশ্বাস অটুট। কারণ তিনি জানেন, অভিজ্ঞানকে শুধু ক্রিকেটার হিসেবে নয়, মানুষ হিসেবেও গড়ে তোলা হয়েছে।

স্টেশনের মেঝেতে রাত কাটানো, ট্রেনের অসংরক্ষিত কামরায় যাতায়াত, আর্থিক ভাবে পিছিয়ে থাকা ছেলেদের সঙ্গে খাবার ভাগ করা—এই অভিজ্ঞতাগুলোই অভিজ্ঞানকে ভিতর থেকে শক্ত করেছে।

আর তাই অভিজ্ঞানের গল্প শুধুই ক্রিকেটের নয়। এই গল্প শৃঙ্খলা, সংযম, ত্যাগ আর জীবনের পাঠ নেওয়ার। বিশ্বকাপের আলোয় সে এখন দৃশ্যমান। কিন্তু এই আলোয় পৌঁছনোর জন্য যে অন্ধকার পথ পেরোতে হয়েছে, সেটাই তাকে আলাদা করে দেয়।

যাত্রা শুরু হয়েছে মাত্র। সামনে আরও অনেক পরীক্ষা। কিন্তু যেভাবে তাকে তৈরি করা হয়েছে, তাতে বিশ্বাস করা যায়—এই বাঙালি ক্রিকেটারের গল্প আরও অনেক দূর যাবে।

Preview image